Golpo romantic golpo জল তরঙ্গের প্রেম

জল তরঙ্গের প্রেম পর্ব ৩৩


জল তরঙ্গের প্রেম পর্ব ৩৩

পর্ব সংখ্যা;৩৩

#লেখনীতে_নবনীতা_চৌধুরি

⛔ নোট পড়বেন!

সকালে ঘুম ভাঙার পর থেকে তরীকে দেখতে পায়নি তরঙ্গ।

সারা বাড়ি খুঁজে ও মেয়েটাকে পায়নি সে। সেই থেকে কপালে তিন স্তরের ভাঁজ পড়ে আছে তার। নাশতার টেবিলে কোনো মতে দুই গ্রাস পরোটা মুখে দিয়েছে তরঙ্গ। পর পর হাত ধুয়ে উঠে পড়ে ছিলো। এই এক ঘন্টার মধ্যে মাকে কয়েকবার তরীর কথা জিজ্ঞেস করে ফেলেছে সে। কিন্তু প্রতিবারেই সাহানারার জবাব ছিলো না। তিনি তরী কে দেখেননি। সকাল থেকেই নাকি মেয়েটা বাড়িতে নেই। বাড়িতে মা ছাড়া আর তেমন কেউই নেই। যাকে তরীর কথা জিজ্ঞেস করবে সে। তিন্নিটাও বাড়িতে নেই। সকালেই, স্কুলের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছে সে।

এখন দুপুর হতে চলেছে। সাড়ে এগারো টা বাজে। তরী ফোন ব্যবহার না করায় তাকে কল ও করতে পারছে না তরঙ্গ। উপায়ান্তর না পেয়ে পুকুর ঘাটে এসে দাঁড়ালো সে। যদি মনটা একটু স্থির হয়। তরঙ্গের পরণে লুঙ্গি আর র্টি-শার্ট। সকালে ঘুম থেকে উঠেই তরীকে জ্বালাবে ভেবে পরে ছিলো। কিন্তু মেয়েটাকে চোখের দেখাই দেখতে পাচ্ছে না সে। একরাশ আপসোস নিয়ে কিছুক্ষণ পুকুর ঘাটে বসে অবাধ্য মনের যন্ত্রণায় আর অপেক্ষা করতে পারলো না তরঙ্গ। বাড়ি ফিরে পোশাক বদলে নিলো সে।

ফোন আর হাত ঘড়ি পকেটে পুরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লো সে। প্রথমেই তিন্নির স্কুলে গেলো তরঙ্গ। হতে পারে তিন্নির স্কুলে গেছে তরী। কিন্তু বিধিবাম তরী সেখানে ও যায়নি। হতাশ হয়ে স্কুল থেকে বেরিয়ে এলো সে।

******

দুপুর গড়িয়ে বিকেল, বিকেল পেরিয়ে বর্তমানে সন্ধ্যা ঘনিয়েছে। কিন্তু এখনো তরীর খোঁজ পায়নি তরঙ্গ।

এর মধ্যে বিকেল থেকে ঝড় শুরু হয়েছে ধরনীতে। অক্টোবরের শীতল বৃষ্টিতে ভিজে নাজেহাল দশা তার। চোখ – মুখ ভিজে লাল হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির পানিতে এর্লাজি থাকা শর্তে ও; এই বৃষ্টির মাঝে পাগলের মতো তন্ন তন্ন করে তরীকে খুঁজেছে সে। তারপর ও কোনো দিশা পায়নি তরঙ্গ। বৃষ্টির পানি চোখে পড়ার কারণে চোখ ফুলে উঠেছে ছেলেটার। তবুও সে দমে থাকেনি। শহরের পরিচিত যতো গুলো জায়গা ছিলো সব খুঁজে ফেলেছে। সবশেষে, বিকল্প না পেয়ে মাঝ রাস্তায় হাঁটু গেড়ে বসে পড়লো তরঙ্গ।

বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে গেছে। ময়লা পানির স্রোতের পরোয়া করলো না সে। দু’হাতে মুখ চেপে ধরে বাচ্চাদের মতো হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো তরঙ্গ। বৃষ্টির পানি আর তরঙ্গের চোখের পানি দুইয়েতে মিশে একাকার হয়ে গেলো। সন্ধ্যার উথাল পাথাল ঝড়ের মাঝে কেউ শুনতে পেলো না তরঙ্গের সেই আর্তনাদ।

–” বলো কিভাবে রবো এভাবে,

আমায় গোছাবে কে দু’হাতে।

ফিরে আসো না,

আর তো পারি না!

বাঁচি চলো না আবার একসাথে।”

মুখ থেকে হাত সরিয়ে মেঘে আচ্ছন্ন কৃষ্ণাভ আকাশের পানে দৃষ্টি মেলল তরঙ্গ। আকাশ – জমিনের একচ্ছত্র মালিকের উদ্দেশে চেয়ে শীতল কণ্ঠে প্রশ্ন ছুড়ে দিল সে।

–” আপনি তো পরম করুণাময় আল্লাহ্! আমরা পৃথিবীতে কতো পাপ করি। তবুও আপনি আমাদের শাস্তি দেন না। ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ করে দেন। আমার ভুল ক্রটি গুলোর জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন রব। আপনি তো জানেন ই, আপনার এই পাপী বান্দা আপনার আরেক বান্দি কে ভালোবাসে। আপনার রহমতের দ্বারা আপনি তাকে আমার হালাল স্ত্রী করে দিয়েছেন। তার জন্য অশেষ কোটি শুকরিয়া রব। কিন্তু আপনার ওই বান্দি, আমার তরী বউটা আবার পালিয়েছে। তাকে আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আপনি আমাকে সাহায্য করুন আল্লাহ্। সে যেখানেই থাকুক। আপনি তাকে হেফাজত করুন।”

তরঙ্গ থামলো। মাথার চুল খামচে সেভাবেই অনেকক্ষণ বসে রইলো সে। বৃষ্টি ততক্ষণে কমে এসেছে। এক পর্যায়ে তরঙ্গের পকেটের ফোনটাতে ভাইব্রেট হতেই হুঁশ ফিরলো তার। চোখ মুছে পকেট হাতড়ে ফোনটা বের করতেই রাফিনের নাম ভেসে উঠলো। এই মূহুর্তে বন্ধুর কল ও তরঙ্গের মনে আনন্দ দিচ্ছে না। বউয়ের শোকে পাগল পারা সে। মেয়েটাকে বড্ড বেশি ভালোবাসে কি-না। অনিচ্ছা স্বত্বে ও ফোন রিসিভ করে কানে চাপলো তরঙ্গ।

–” হ্যালো?”

–” তুই কোথায় ভাই? এদিকে তো কেলেঙ্কারি হয়ে গেছে।”

ফোনের ওপাশ থেকে রাফিনের উত্তেজিত কন্ঠ পেয়ে ও তরঙ্গের মধ্যে বিশেষ হেলদোল দেখা দিলো না। সে নিস্তেজ কন্ঠে জবাব দিলো।

–” আমার জীবনে কেলেঙ্কারির আর বাকি আছে কি। আমার তরকারি জান কে পাচ্ছি না। এই কি কম কেলেঙ্কারি?”

কথা শেষ করতে পারলো না তরঙ্গ। উত্তেজিত হয়ে চেঁচিয়ে উঠলো রাফিন।

–” ঢংয়ের কথা মারাও? ভাবি তো তোদের পারিবারিক কবরস্থানে। চাচির কবরের পাশে বসে আছেন। আর তুই বলছিস ভাবিকে পাচ্ছিস না! নেশা পানি করেছিস নাকি ভাই?”

তরঙ্গের শরীর জুড়ে বিদ্যুতের ঝলক বয়ে গেলো। মৃদ্যু কেঁপে উঠলো তার ওষ্ঠ জোড়া।

–” কি? মজা করছিস ভাই?”

–” তুই কি আমার বেয়াই লাগিস? যে মজা মারামু? জলদি এলে আয়। নয়তো ভাবিকে আমিই নিয়ে চলে যাবো।”

অশ্রুসজল চোখে মৃদ্যু মন্দ হাসি ফুটলো তরঙ্গের মুখে। ধীর কন্ঠে জবাব দিলো সে।

–” পাঁচ মিনিট দাঁড়া। আমি এখনি আসছি।”

কল কেঁটে দিলো তরঙ্গ। ফোনটা পকেটে পুরে; রাস্তার কাদা মাটির মাঝেই সেজদায় লুটিয়ে পড়লো সে। ঠোঁট গলিয়ে কাঁপা স্বরে বেরিয়ে এলো দুটি শব্দ।”

–” আলহামদুল্লিলাহি রাব্বিল আলামিন।”

*******

মায়ের কবরের পাশে এলোমেলো শাড়িতে কর্দমাক্ত শরীরে বসে আছে তরী।

কালো শাড়িটা কাদা মাটিতে মাখা মাখি হয়ে গেছে। কালো রঙ কাদার আড়ালে গিয়ে ফ্যাকাশে হয়ে পড়েছে। সকাল থেকেই এখানে বসে আছে তরী। পৃথিবীর কোনো কিছুতেই আজ তরীর ধ্যান – জ্ঞান নেই। র*ক্ত জবার ন্যায় লাল চোখে; এক দৃষ্টিতে কবরের ভেজা মাটির দিকে তাকিয়ে আছে মেয়েটা। পিঠের ক্ষত স্থানের ব্যথাতে ও তরীর শরীরে প্রতিক্রিয়া হচ্ছে না। তার কোল জুড়ে অবহেলায় পড়ে আছে একগুচ্ছ চটের দড়ি। দড়ি গুলো ও ভিজে একাকার। মায়ের কবরের পাশের আম গাছটাতে পাঁচ, পাঁচ বার গলায় ফাঁ*স দিতে গিয়ে ও ব্যর্থ সে।

এতো অপমান, অত্যাচার আর অবহেলার পর ও কেবল এক জনের ভালোবাসার জন্য সে এই দড়িতে ঝু*লতে পারছে না। বার, বার মনে হচ্ছে। সে মরে গেলে তিন্নি আর তরঙ্গের কি হবে? ছেলেটা যে আস্ত পাগল। নিজের যত্ন একটু ও নেয় না। সে খাবার নিয়ে না বসে থাকলে মাঝে সাজে তার নাশতা খাওয়া ও হয় না। এই ছেলেটাকে অজান্তেই তরী অসম্ভব ভালোবেসে ফেলেছে। কি অদ্ভুত, ছেলেটা এতোটা জুড়ে আছে তার জীবনে? আর সে কোনো দিন বুঝতেই পারেনি।

তরীর ভাবনার মাঝে কেউ আচমকা এসে তার কোলের উপর হুড়মুড়িয়ে পড়লো। কাদা মাটিতে পরিপূর্ণ তরীকে আগলে নিলো নিজের প্রশস্ত বক্ষবিভাজনে। মুখ লুকালো তরীর ঘাড়ের মাঝে। পো*ড়া ক্ষতর মাঝে থুতনির চাপ প্রয়োগ হতেই ব্যথায় কুকিয়ে উঠলো সে। তবে অপর মানুষটি সেই নিচু আর্তনাদ শুনলো না। সে তো ব্যস্ত তরীকে বুকের মাঝে লুকিয়ে নেওয়াতে। মানুষটা কে বুঝতেই অনুভূতি শূন্য তরীর হৃদয়ে ভালো লাগার ঢল নামলো।

–” এই বেয়াদপ তরকারি জান! এই রাত বিরাতে কবরের পাশে কি করছিস তুই?”

তরঙ্গের অধিকার পূর্ণ ধমকে; চোখ ফুঁড়ে বেরিয়ে এলো আনন্দ অশ্রু বেরিয়ে এলো তরীর। আপনা আপনিই তার হাত জোড়া উঠে এলো তরঙ্গের পিঠের মাঝ বরাবর। তরঙ্গের ন্যায় সে ও শক্ত করে আগলে ধরলো ছেলেটাকে।

–” আপনি খুঁজে পেতে এতো দেরী করলেন কেন? তাই তো এখানে বসে ছিলাম।”

তরীর শীতল জবাবে, তরঙ্গের হৃদয় উষ্ণতায় ভরে উঠলো। নিজের বুকের সাথে আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো তরীকে।

–” আমি কি জানতাম নাকি! যে আমার তরকারি জান বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে ডাল হয়ে যাচ্ছে এখানে।”

ফিক করে হেসে ফেললো তরী। পায়ের মধ্যে কিছু বিঁধতেই, তরঙ্গ তাকে ছেড়ে পাশে মাটিতে বসে পড়লো। পায়ের মধ্যে কি বেঁধেছে তা দেখতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গেলো তার। দড়ি টা টান দিতেই তরীর কোলের মাঝে থেকে অপর মাথা বেরিয়ে এলো। গমগমে কন্ঠে চেঁচিয়ে উঠল তরঙ্গ।

–” হোয়াট দ্যা ফা*ক মিসেস দেওয়ান? এই দড়ি আপনার কোলে কি করছে? এন্সার মি!”

তরী আমতা আমতা করে উঠলো।

–” বিধবা হয়েছিস? তোর বর মরেছে? যে কবর স্থানে এসে দুঃখ বিলাস করছিস। গলায় ফাঁ*স দিতে দড়ি নিয়ে ঘুরছিস। আমাকে পাগল বানানোর জন্য এসব শুরু করেছিস?”

–” এসব কি বলছেন তরঙ্গ?”

বড় করে শ্বাস টানলো তরঙ্গ। পর পর শ্বাস ত্যাগ করলো। সময় নিয়ে নিজেকে সামলে বলতে শুরু করলো।

–” কোথাও শুনেছিলাম, আল্লাহ্ যার জন্য যাকে সৃষ্টি করেছেন। তাকে দেখলেই মনে হয় চোখ সরানো দায়। ট্রাস্ট মি, আমি ও পারিনি। তোর ওই চাঁদ মুখ থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে অন্য মুখেতে আসক্ত হতে পারিনি তরী জান। তিন্নির জন্মদিনের অনুষ্ঠানের ওই সন্ধ্যায় তোকে দেখার পর। হলে ফিরে পাক্কা এক সপ্তাহ রাতে আমি ঘুমাতে পারিনি। পা*গ*ল, পা*গ*ল লেগে ছিলো নিজেকে। ফোনে ও তোর কোনো ছবি ছিলো না। যে একটু দেখে মন শান্ত করবো। পা*গ*লের মতো এক সপ্তাহ নিজের সাথে যুদ্ধ করলাম। হঠাৎ, এক মধ্যে রাতে ঘুম আসছিলো না আমার। শত চেষ্টা করে ও ঘুমাতে পারছিলাম না। মাথা ভর্তি টেনশন! তোকে কিভাবে পাবো? কীভাবে এই চাঁদ মুখের মেয়েটাকে আমার করে নিবো? সমাজ যে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে আমাদের সম্পর্কে।”

তরঙ্গ থামলো, ধাতস্থ হয়ে ফের সুধালো।

–” সেদিন রাত থেকে নামাজ পড়া শুরু করে ছিলাম। আমার তোকে চাওয়া প্রথম মোনাজাতের নামাজ ছিলো তাহাজ্জুত। নিজের সবটুকু আবেগ ঢেলে সেই মোনাজাত ধরেছিলো তরঙ্গ দেওয়ান। কোরআন পড়তে না পারা আমি হলের মসজিদের ইমামের কাছে দৈনিক দু’বেলা করে কোরআন পড়া শুরু করলাম। এক মাসের চেষ্টাতে সফল ও হয়েছিলাম। কারণ, মাথার উপরের তিনি সব ঠিক করে রেখে ছিলেন।”

তরঙ্গ থামলো, জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজালো সে। তরীর পা জোড়া আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো।

–” ক্লাসের মাঝে সুযোগ পেলেই মাঠের ওই কৃষ্ণচূড়া গাছের ছায়ার অনুসন্ধানে ছুটতাম। জায়গাটা নিরিবিলি। ক্যাম্পাসের মাঝে কোরআন পড়ার জন্য সর্ব উত্তম জায়গা। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া ছাড়লাম। ধীরে ধীরে বন্ধু কমতে থাকলো। তাতে ও আমার কিছুই এসে গেলো না। কারণ আমার তরী নামক মেয়েটাকে চাই। চাই মানে চাই-ই চাই। আমার বিলাসিতা পূর্ণ জীবন ছেড়ে দ্বিনের পথে ফিরে এলাম। সব এক মূহুর্তে ছেড়ে দিয়ে ছিলাম। কজ, আই নিড টু ইউ। ভেরি ডেস্পারেটলি। এবং অবশেষে আমি তোকে পেয়েছি। আমার এতো কষ্ট অর্জন করা, সাত রাজার ধন কে তুই এই সামান্য ষাট টাকার রশির মাঝে ঝু*লি*য়ে সব কষ্ট বৃথা করে দিতে চেয়েছিলি? কীভাবে পারলি এতো নিষ্ঠুর হতে? বুক কাঁপেনি তোর?”

তরঙ্গের এতক্ষণে উচ্চারিত প্রতিটি শব্দ তরীর কর্ণকুহর পেরিয়ে সোজা হৃদয়ের গভীরে গিয়ে আঁচড় কাটলো। ছেলেটা তাকে পাওয়ার জন্য এতটা কষ্ট করেছে? এতটা ভালোবাসে তাকে? এই পৃথিবীতে অভাগী তরীকে এত গভীর ভাবে ভালোবেসে ফেলল কেন তরঙ্গ? কান্নার দমকে কথা বলতে পারলো না তরী। এমন ভালোবাসার কি কোনো প্রতিদান হয়? হয়- এই ভালোবাসার একমাত্র প্রতিদান হতে পারে ফিরতি এক আকাশসম ভালোবাসা।

#চলবে

( প্রিয় পাঠক মহল,

ব্যাক্তিগত সমস্যা জনে জনে বলে বেড়ানো আমার একদম পছন্দ না। এই ক্ষেত্রে অপরপক্ষের মানুষটি আমার খুব আপন না হলে সমস্যা কথা তাকে বলতে ইচ্ছুক নই। যার দরুন ফেসবুকে ও সমস্যার কথা জনে জনে বলার ইচ্ছে নেই আমার। কিন্তু আপনাদের জন্য বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমি খুবই সমস্যায় আছি। এই অবস্থায় লেখা সম্ভব হচ্ছে না। আশা রাখছি আমার পরিস্থিতি বুঝবেন। গল্প কেমন হয়েছে জানাবেন কিন্তু! আজ অনেক বড় পর্ব দিয়েছি!)

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply