#মন_বোঝে_না (১৪)
#সানা_শেখ
সন্ধ্যার পর বাড়িতে ফিরল ফাইয়াজ। ক্লান্ত ভঙ্গিতে সে এগোল সিঁড়ির দিকে। আজকে সোফায় কেউ নেই। অবশ্য সে না থাকলে সারাহ নিচে আসেও না তেমন একটা।
ফাইয়াজ ফ্রেশ হয়ে নিজের রুম থেকে বের হলো। নিচের দিকে যেতে নিয়েও আবার সারাহর রুমের দিকে এগোল। দরজায় ঠক ঠক আওয়াজ করে সারাহর নাম ধরে ডাকল। সাড়া না পেয়ে দরজা ঠ্যালা দিয়ে খুলে ফেলল। বিছানার দিকে তাকিয়ে দেখল সারাহ শুয়ে আছে, জানালা আর ব্যালকনির দরজা খোলা। এই ভর সন্ধ্যায় এভাবে শুয়ে আছে কেন জানালা দরজা খুলে রেখে? বাইরে থেকে মশা এসে রুম ভরে যাবে তো। সারাহর কী শরীর খারাপ? ঘুমিয়ে পড়েছে নাকি? সাড়া দিলো না কেন?
ভেতরে প্রবেশ করল ফাইয়াজ। এগিয়ে এসে দাঁড়ায় সারাহর শিয়রে। নীরবতার মাঝে শুনতে পেল সারাহর ফোঁপানোর মৃদু আওয়াজ। সারাহ কাদঁছে?
ফাইয়াজ ঝুঁকে সারাহর মুখের দিকে তাকাল। সারাহর চোখ বন্ধ কিন্তু পানি গড়িয়ে পড়ছে। ওষ্ঠজোড়া চেপে ধরে আছে কান্না আটকে রাখার ব্যর্থ চেষ্টায়।
“সারাহ, কী হয়েছে তোর? কাঁদছিস কেন এভাবে? এই সারাহ, এই, তাকা আমার দিকে।”
সারাহ তাকাল না, ফিরলও না ফাইয়াজের দিকে। ফাইয়াজ জোর করে সারাহকে নিজের দিকে ফেরাল। ফোঁপানো বাদ দিয়ে গুমরে কেঁদে উঠল সারাহ। ফাইয়াজ তাকে টেনে তুলে বসাল। সারাহ তার মুখের দিকে তাকিয়ে কাঁদতে লাগল। সারাহর চোখমুখ ফুলে গেছে কাঁদতে কাঁদতে। চোখজোড়া লাল হয়ে আছে। আদরের বোনের কান্না দেখে ব্যাকুল হলো ফাইয়াজ। গালে হাত রেখে বলল,
“সোনা, কাঁদছিস কেন এভাবে? আম্মু বকা দিয়েছে?”
সারাহ কিছু বলল না, শুধু নিজের গাল থেকে ফাইয়াজের হাত সরিয়ে দিলো। ফাইয়াজ সারাহর গাল মুছিয়ে দিয়ে পুনরায় দুই হাতে মুখ আগলে ধরে বলল,
“বল কি হয়েছে। আম্মু কিছু বলেছে নাকি অন্য কেউ কিছু বলেছে? পাখি, কথা বলছিস না কেন?”
সারাহর কান্না আরও বেড়ে গেল। ফাইয়াজ দিশেহারা হয়ে উঠল বোনের এমন কান্না দেখে। সে ধুপধাপ শব্দ তুলে রুম থেকে বেরিয়ে বাবা-মায়ের রুমের দরজায় এসে দাঁড়াল। দরজায় নক করার পর অনুমতি পেতেই দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করল।
ফুয়াদ হাসান ফাহিমকে হাতের লেখা শিখাচ্ছেন, পাশেই বসে রয়েছেন নিতু সুলতানা।
ফাইয়াজের শক্ত চোয়াল দেখে স্বামী স্ত্রী দুজন একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করলেন। নিতু সুলতানা বিছানা ছেড়ে নেমে বললেন,
“কী হয়েছে, ফাইয়াজ?”
ফাইয়াজ রাগী গলায় বলল,
“তুমি সারাহকে বকেছো?”
নিতু সুলতানা অবাক হয়ে বললেন,
“না। ওকে কেন বকবো আমি?”
ফাইয়াজ কর্কশ গলায় বলল,
“তাহলে ও কাদঁছে কেন?”
“কে কাদঁছে?”
“কে আবার? সারাহ কাদঁছে। যদি কিছু না বলো তাহলে ও কাঁদবে কেন?”
“চেরি কাঁদবে কেন? ওকে তো আমি কিছু বলিইনি। বিকেল থেকে তো ও রুমের বাইরেই বের হয়নি। ফাহিম একবার গিয়েছিল ওর কাছে, ফিরে এসে বলল সারাহ ঘুমিয়ে আছে।”
নিতু সুলতানা রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন। ফাহিম বাবার কোল থেকে নেমে ফাইয়াজের কাছে এলো। মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকার পরও ভাইকে কোলে তুলে নিল ফাইয়াজ। না দাঁড়িয়ে ভাইকে কোলে নিয়ে সেও বেরিয়ে গেল রুম থেকে। ফুয়াদ হাসান বই খাতা বন্ধ করে রুম থেকে বেরিয়ে সারাহর রুমে এলেন। অফিস থেকে ফিরে সারাহকে দেখতে না পেয়ে নিতু সুলতানাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন সারাহর কথা। নিতু সুলতানা বলেছিলেন সারাহ নিজের রুমেই রয়েছে, ফাহিম বলেছিল আপু ঘুমাচ্ছে।
নিতু সুলতানা সারাহর চোখের পানি মুছে দিতে দিতে বললেন,
“চেরি, কী হয়েছে? কাঁদছিস কেন এভাবে?”
সারাহ মাকে জড়িয়ে ধরে ফোঁপাতে লাগল। আবির কল কেটে দেওয়ার পর কিছুক্ষণ কান্নাকাটি করে আবিরকে কল করেছিল সারাহ নিজেই। বারবার কল দেওয়ার পরও রিসিভ করেনি আবির। মেসেজের পর মেসেজ দিলেও না সিন করেছে আর না তো একটা রিপ্লাই দিয়েছে।
ছয়টার পর পর আবির নিজে থেকেই কল করে আর যা-তা ব্যবহার করে সারাহর সঙ্গে। মুখে যা এসেছে তাই বলেছে। তার পর থেকে সারাহর কান্না বন্ধ হচ্ছে না। ফাহিম তার কাছে এলে সারাহ অনেক কষ্টে নিজের কান্না চেপে চুপচাপ শুয়ে ছিল। সারাহ ঘুমিয়ে আছে ভেবে ফাহিম কোনো রকম ডিস্টার্ব না করে চলে গেছে। ফাইয়াজ এসে ডাক দেওয়ায় সারাহ আবারও নিজের কান্না চেপে রেখেছিল, কিন্তু ফাইয়াজ ফিরে যায়নি ফাহিমের মতন।
ফুয়াদ হাসান এগিয়ে এসে সারাহর মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করতে করতে বললেন,
“কী হয়েছে, আম্মু? কাদঁছো কেন এভাবে?”
সারাহ কথা বলতে পারল না। ফাইয়াজ বলল,
“আবির ভাইয়া কিছু বলেছে তোকে?”
সারাহ না চাইতেও মুখ তুলে তাকাল ফাইয়াজের দিকে। তার রিঅ্যাকশন দেখে ফাইয়াজ বুঝতে পারল আবির-ই কিছু বলেছে সারাহকে। ফুয়াদ হাসান সারাহর গাল হাত ছুঁয়ে বললেন,
“আবির কিছু বলেছে তোমাকে?”
হেঁচকি তুলতে তুলতে মাথা নাড়ল সারাহ। নিতু সুলতানা বলেছেন,
“কী বলেছে?”
“বকেছে।”
খ্যাক করে উঠল ফাইয়াজ। বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,
“এই বিয়ে ক্যানসেল। ওই আবিরের কাছে আমি আমার বোনকে বিয়ে দিবো না।”
ফুয়াদ হাসান বললেন,
“কথায় কথায় বিয়ে ক্যানসেল বিয়ে ক্যানসেল করো কেন?”
“করব না? ওর কত বড়ো সাহস ও আমার বোনকে বকেছে!”
“দুটো বকা দিলেই বিয়ে ক্যানসেল করতে হবে?”
মায়ের কথা শুনে ফাইয়াজ তার দিকে তাকাল। কর্কশ গলায় বলল,
“তোমার মনে হচ্ছে ওই আবির সারাহকে দুটো বকা দিয়েছে? দুটো বকা শুনে কেউ এভাবে কাঁদে? যেই কাউয়ার্ড আমার বোনকে বকাঝকা করে সেই কাউয়ার্ডের কাছে আমি আমার বোনকে বিয়ে দিবো না। বিয়ে হয়নি এখনই এভাবে বকাঝকা করে কান্না করাচ্ছে, বিয়ে হলে তো মা’রধর করতেও ওর বাঁধবে না কোথাও। আব্বু, তোমার বোনকে কল করে বলে দাও এই বিয়ে ক্যানসেল।”
*****
রাত দশটার পর বাড়ি ফিরল ফারিশ। আবরারের কোনো খোঁজ খবর মেলেনি এখনো। চব্বিশ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে তার কোনো খোঁজ খবর নেই। পুলিশ তার খোঁজ করছে এখন। আমজাদ খান ভেঙে পড়েছেন। বারবার ছেলের লেখা চিঠি পড়েন আর চোখ মুছেন। কিছুক্ষণ পর পর স্ত্রী আর ফারিশকে বলেন ‘আমার ছেলেটা এভাবে মাফ চেয়ে কোথায় হারিয়ে গেল?’
ড্রয়িংরুমে ফুয়াদ হাসান আর নিতু সুলতানা রয়েছেন শুধু। ফুয়াদ হাসান ছেলের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন,
“আবরারের খোঁজ পাওয়া গেছে?”
ফারিশ দুদিকে মাথা নেড়ে বলল,
“না। ওর ফোনের লাস্ট লোকেশন মিরপুরেই দেখাচ্ছে। যত সিসিটিভি আছে চেক করা হচ্ছে, সকালের মধ্যে হয়তো কিছু জানা যাবে।”
“আবরারকে পাওয়া যাচ্ছে না এটা তুমি আমাকে প্রথমেই জানাবে না? সন্ধ্যায় কল করলাম তখনো কিছু বললে না। যা রাগ ওর, নিজের কোনো ক্ষতি না করলেই হয়।”
ফারিশ ঝিম ধরে কিছু ভেবে বলল,
“আচ্ছা তোমরা টেনশন কোরো না। গিয়ে শুয়ে পড়ো।”
ফারিশ পা বাড়িয়েও আবার থেমে গেল। মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল,
“সারাহর কী হয়েছে? ও কান্নাকাটি করেছে কেন?”
ফুয়াদ হাসান বললেন,
“আবির নাকি বকেছে সারাহকে।”
ফারিশ চোয়াল শক্ত করল। ফাইয়াজ কল করে তাকে বলেছিল সারাহ কান্নাকাটি করছে। আরও কিছু বলেছিল তবে ব্যস্ত থাকায় ফারিশ পুরো কথা শুনতে পায়নি।
ফারিশ বাবা-মাকে রেখেই উপরে উঠে এলো। সারাহর রুমের সামনে এসে দরজায় নক করতেই সারাহ উঠে এসে দরজা খুলে দিলো। ফারিশকে দেখেই মাথা নিচু করে নিল, ভেবেছিল নিতু সুলতানা এসেছেন।
ফারিশ ভেতরে ঢুকে দরজা ভিজিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক গলায় বলল,
“কী হয়েছিল?”
সারাহ মুখ তুলে তাকাল। ফারিশ ডিম লাইটের নীল আলোয় স্পর্শ দেখতে পাচ্ছে সারাহর চোখজোড়া পানিতে টইটম্বুর হয়ে রয়েছে।
“আবির বকেছে কেন তোমাকে?”
সারাহ খুলে বলল তাকে বকার কারণ। বলতে বলতে সারাহর গলা জড়িয়ে এলো আবার।
“আবরারকে কী বলেছিলে তুমি?”
সারাহ জোর করে কান্না দমিয়ে রেখে খুলে বলল সব। ফারিশ কপাল চাপড়ে বলল,
“এসব কী করেছো, চেরি? তোমাকে আমি বলেছিলাম তো আবরারের সঙ্গে ভালো মন্দ কোনো কথা বলবে না।”
“আমি ঐভাবে বলতে চাইনি, ভাইয়া, তবুও যেন কীভাবে বলে ফেলেছি। উনি অনেক কষ্ট পেয়েছেন আমার কথা আর আচরণে।”
“গতরাত থেকে আবরার নিখোঁজ। কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ওকে। ফোন বন্ধ, ওর কোনো বন্ধুও ওর ব্যাপারে কিছু বলতে পারছে না।”
ডুকরে কেঁদে উঠল সারাহ। তার কথাগুলো শুনে আবরার এত কষ্ট পাবে বা এমন কিছু করবে সে তো তা বুঝতে পারেনি তখন। রাগের মাথায় ঝোঁকের বশে বলে ফেলেছিল। তার কথা শুনে আবরার কাউকে কিছু না বলে গায়েব হয়ে গেছে। এদিকে সে এই কথার জন্য মাফ চাইতে গিয়ে আবিরের কথার আগুনে পুড়ছে।
ফারিশ হাত বাড়িয়ে সারাহর মাথায় হাত বুলিয়ে বলল,
“চিন্তা কোরো না সব ঠিক হয়ে যাবে। আবিরের সঙ্গে আমি কথা বলে নিবো। ও কল করেছিল অনেকবার তখন ব্যস্ত থাকায় রিসিভ করতে পারিনি। পরে কল করে দেখলাম ফোন বিজি। কান্নাকাটি না করে ঘুমিয়ে পড়ো।”
সারাহ মাথা নেড়ে চোখের পানি মুছে নিল। ফারিশ রুম থেকে বের হতে হতে পকেট হাতড়ে ফোন বের করল। আবিরকে কয়েকবার কল করার পর রিসিভ হলো। ফারিশ কিছুটা রাগী গলায় বলল,
“আমার বোনকে বকেছিস কেন তুই?”
“তোর বোন আমার কথা শোনে না কেন?”
“তোর কোন কথা শোনেনি?”
“ও আবরারের সঙ্গে কথা বলেছে কেন?”
“সারাহ আবরারের সঙ্গে কথা বলেনি, বরং আবরার সারাহর সঙ্গে কথা বলেছিল।”
“বলেছিল শেষ, পরে তোর বোন ওর খোঁজ করবে কেন? অন্য ছেলেদের সঙ্গে কথা বলবে কেন?”
“সারাহ তো বলেছেই তোকে, শুধুমাত্র সরি বলার জন্য খুঁজেছে। এই ছোটো একটা বিষয় নিয়ে এত রিঅ্যাক্ট করার কী হয়েছে?”
“বলবে কেন? ওই আবরার কোথাকার কে যে ওকে সরি বলতে হবে?”
“আবির, ঠিকভাবে কথা বল!”
“ঠিকভাবেই বলছি আমি। তোর বোনকে ভালোভাবে বুঝিয়ে বলবি ও যেন আমার কথার অবাধ্য না হয়।”
“তুই আমাকে অর্ডার করছিস? তুই আমার বোনকে শাসন করার কে? তোর সঙ্গে চেরির শুধুমাত্র এঙ্গেজমেন্ট হয়েছে, বিয়ে হয়নি এখনো। চেরিকে শাসন করার জন্য তার বড়ো দুই ভাই, আর বাবা-মা আছে। বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরই শাসন করার অধিকার পাবি তুই, তার আগে নয়। তোর সব কথা শুনি বলে তুই পেয়েছিস টা কী? আমি আমার বোনকে বকাবকি করার জন্য তোর সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হইনি। ভুলে যাস না তুই আমার হাতে পায়ে ধরে এই বিয়ের জন্য রাজি করিয়েছিস। তখন কী বলেছিলি? কোনোদিন এক ফোঁটা পানি ঝরতে দিবি না আমার বোনের চোখ থেকে। অথচ তোর জন্য আজ আমার বোন কেঁদেকেটে চোখমুখ লাল করে ফেলেছে। নেক্সট টাইম এমন কিছু হলে আমি ভুলে যাব তোকে আমি কী কথা দিয়েছি।”
ফারিশের হুমকিতে সত্যি সত্যিই ভয় পেল আবির। সে নিজেকে শান্ত করে বলল,
“তুই এবার বেশি রিঅ্যাক্ট করছিস।”
“বেশি রিঅ্যাক্ট করছি আমি? আমি আমার বোনের এক ফোঁটা চোখের পানি সহ্য করব না। যেই জিনিসটার জন্য আমার বোন কষ্ট পাবে সেই জিনিসটাই আমি আমার বোনের জীবন থেকে সরিয়ে দিবো দুবার না ভেবে মনে রাখিস।”
“এত রেগে যাচ্ছিস কেন?”
“রাগবো না কেন? তুই কোন সাহসে আমার বোনের উপর চেঁচিয়েছিস? সারাহ তোর বউ নাকি বোন? যেদিন কবুল বলে বউ করে নিবি সেদিন অধিকার দেখাতে আসবি তার আগে নয়। আর কোনোদিন যেন না শুনি ওর উপর চড়াও হয়ে কথা বলেছিস তুই।”
“ঠিক আছে।”
“সারাহকে কল করে সরি বলবি এখন। রাখলাম।”
“হুম।”
কল কাটার সঙ্গে সঙ্গেই আবিরের ফোনে কল এলো। স্ক্রিনে জ্বলজ্বল করছে ‘My Life’ লেখা।
বেশ বিরক্তি নিয়ে কল রিসিভ করল আবির। কানে চাপতেই ওপাশ থেকে ভেসে এলো আবেগঘন মেয়েলি আওয়াজ।
“ডার্লিং, হোয়্যার আর ইউ?”
আবির বিড়বিড় করে দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
“জাহান্নামে!”
“হোয়াট?”
আবির নিজেকে সামলে মোলায়েম স্বরে বলল,
“নাথিং, ডার্লিং।”
“ডার্লিং, কোথায় তুমি? আই’ম ডাইং টু সি ইউ।”
“আই’ম অলমোস্ট হোম, সুইটহার্ট। জাস্ট আ লিটল মোর।”
“প্লিজ কাম ফাস্ট, ডার্লিং। এভরি সেকেন্ড উইদাউট ইউ ফিলস আনবেয়ারেবল।”
“ওয়েট ফর মি, মাই লাভ। আই’ম কামিং ওনলি ফর ইউ।”
“লাভ ইউ।”
“লাভ ইউ টু, ডার্লিং।”
কল কেটে দিয়ে দাঁতে দাঁত চাপল আবির। সে রয়েছে এক বুক যন্ত্রণা নিয়ে, আর এই মেয়ে রয়েছে তার ঘরে ফেরা নিয়ে।
লম্বা লম্বা শ্বাস টেনে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করে সিগারেট ধরালো।
চলবে…………
Share On:
TAGS: মন বোঝে না, সানা শেখ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
দিশেহারা পর্ব ৭২
-
দিশেহারা পর্ব ৫৪
-
দিশেহারা পর্ব ২৪
-
দিশেহারা পর্ব ২০
-
দিশেহারা পর্ব ৫৮
-
দিশেহারা পর্ব ৭০
-
দিশেহারা পর্ব ৫
-
তোমার সঙ্গে এক জনম পর্ব ৮
-
দিশেহারা পর্ব ৪৮
-
তোমার সঙ্গে এক জনম পর্ব ১২