প্রেমবসন্ত_২ ।৫৭।
হামিদাআক্তারইভা_Hayat
এমন সময় অর্ণ প্রবেশ করল বাড়িতে। গায়ে জড়ানো সাদা শার্ট টা লেপ্টে আছে বুকের সাথে। এলোমেলো চুল গুলোর অবস্থাও তেমন একটা ভালো নয়। ও সদর দরজা পেরিয়ে সামনে আসতেই চোখে চোখ পড়ল কায়নাতের সাথে। অর্ণ কেমন করে হাসল। মনে হলো জোরপূর্বক হাসল। মাথার চুল গুলো ঠিক করতে করতে এগিয়ে এসে সাফাই গাইতে শুরু করল কায়নাতকে উদ্দেশ্য করে।
“এই দেখো, আমি নেশা করিনি। আমাকে দেখে মনে হচ্ছে আমি নেশা করেছি?”
কায়নাত তো কিছু জিজ্ঞেস-ই করেনি। অর্ণ নিজ থেকেই আগ বাড়িয়ে নিজেকে মাসুম প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। কায়নাত শুকনো ঢোক গিলে আড়চোখে সবার দিকে তাকাল। অর্ণর বোধহয় কায়নাতের দৃষ্টি সরিয়ে নেয়া পছন্দ হলো না। কপাল গভীর ভাঁজ ফেলে চেপে ধরল ওর নরম হাতের কব্জি। কায়নাত হকচকিয়ে তাকাল অর্ণর দিকে। বেহরুজ বেগম গম্ভীর হলেন। বললেন,
“চুপচাপ নিজের ঘরে যাও। তোমার বাবাকে নিয়ে আসছি আমি।”
অর্ণ ঘনঘন মাথা নাড়িয়ে বলল,
“আমার বউকে চাই এখন। ওকে নিয়ে যাব আমি।”
একপ্রকার কায়নাতকে অর্ণ টেনে দাঁড় করাল। কায়নাত দুর্বল শরীর টা নিয়ে উঠে দাঁড়াল। অর্ণ নেশা করেছে। মাতাল অবস্থায় আছে লোকটা। অর্ণ পিছু ঘুরে দাঁড়াতে গেলে সিঁড়ির দিক থেকে দাদার কণ্ঠ শুনে থমকে দাঁড়াল সে। আজগর চৌধুরীর পেছনে দুই ছেলেও ছিলেন। ভাগ্যিস এই সময়ে বাড়ির কেউ জাগ্রত নেই। থাকলে কী হত? কী ভাবতো সবাই? বলত না, চৌধুরী বাড়ির বড় ছেলে বিগড়ে গেছে। রাত করে মদ খেয়ে ফিরেছে বাড়িতে।
মাশফিক চৌধুরী ছেলের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। রাগে তার শরীর কাঁপছে।
“তোমার সাহস দেখে অবাক হচ্ছি অর্ণ। এই শিক্ষায় তোমাকে বড় করিনি এত কষ্ট করে।”
আব্দুর চৌধুরী বললেন,
“কায়নাত, ঘরে যা।”
অর্ণ ভ্রু কুঁচকে বলল,
“ও কোথাও যাবে না।”
আজগর চৌধুরী সবাইকে থামিয়ে দিয়ে বললেন,
“কায়নাত অর্ণর ঘরেই যাক। যেতে দাও ওদের।”
কায়নাতের গলায় কান্না গুলো দলা পাকিয়েছে। সে মাথার কাপড় বাম হাত দিয়ে টেনে নিল। অর্ণ ওর হাত ধরে এগিয়ে গেল সিঁড়ির দিকে। মাশফিক চৌধুরী মাথা চেপে বসলেন চেয়ারে। ছেলেটার কী হলো? কেন এমন বিগড়ে যাচ্ছে? সাংসারিক অশান্তি তিনিও তো সহ্য করেছেন, তাই বলে এমন তো তিনি করেননি। হয়তো যুগের দোষ! আব্দুর চৌধুরী দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাইয়ের পাশে বসলেন। বললেন,
“বাড়ি ভর্তি মানুষ, কেউ যদি দেখে ফেলত? কী হত ভেবেছ একবার?”
“ছেলেটার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।”
“নেশার ঘোরে যদি আবার কায়নাতের সাথে খারাপ আচরণ করে বসে?”
পাশ থেকে বেহরুজ বেগম বললেন,
“একটু পরে আমি গিয়ে দেখে আসব। তোমরা ঘরে যাও এখন।”
অর্ণ কায়নাতকে নিয়ে নিজের ঘরে এসেছে। শুভ্র রঙা ঘরটা পরি-পাটি করে রাখা হয়েছে। কেউ হয়তো নোংরা ঘরটা পরিষ্কার করে দিয়েছে। দুই নর-নারী দাঁড়িয়ে আছে সামনা-সামনি। নীরব যুদ্ধ চলছে সেই বিশাল ঘরের বারান্দায়। অর্ণর ঘোলাটে দৃষ্টি থমকে আছে অশান্ত সমুদ্রের ন্যায়। চোখে যে বড্ড ব্যথা প্রকাশ পাচ্ছে। কায়নাত হাঁসফাস করে উঠল। পিছু ঘুরে দাঁড়াবে এমন সময় অর্ণ বলল,
“সো, মিসেস অর্ণ। আপনি কী চাইছেন?”
কায়নাত ঠোঁট কামড়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল সেভাবেই। পায়ের নখ দিয়ে খাঁমচে ধরল শুভ্র রঙা টাইলস। বুকটা আজ দুরু দুরু করে কাঁপছে। অর্ণর সাথে সে কথা বলতে পারছে না। চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না।
অর্ণর ধৈর্য আকাশ সমান হলেও কেন যেন কায়নাতের বেলায় ধৈর্য ধরে থাকতে পারে না ছেলেটা। আজও তার ব্যতিক্রম হলো না। কায়নাতের চিবুক ধরে মাথা উঠাল নিজের মুখের দিকে। চোখ খিঁচে বন্ধ করে রেখেছে। ফুপাচ্ছে। অর্ণ খানিক দূরুত্ব ঘোঁচাল। ওর নরম গাল দুটো আঁকড়ে ধরল খড়খড়ে হাতের মুঠোয়। ডাকল মৃদু স্বরে,
“আমার বুকে ব্যথা হচ্ছে, ইডিয়ট। আমার সাথে কথা কেন বলছ না? কেন তাকাচ্ছ না আমার দিকে? এখনই এত ঘৃণা জন্মেছে স্বামীর উপর? হাহ!”
অর্ণর শরীর ঢলে আসতে চাইল কায়নাতের ছোট্ট দেহের উপর। মেয়েটা ধরে ফেলল ওকে। অমন দানবের মতো একটা লোকের ভার কী সে সইতে পারে? হঠাৎ দরজায় শব্দ হলো। শাশুড়ির গলা শুনে কায়নাত অর্ণকে জোর করে সরিয়ে দরজা খুলে দিল। বেহরুজ বেগম খানিক বিব্রত গলায় বলল,
“অর্ণ ঘুমিয়ে গেছে?”
“না।”
“তুমি থাকবে এই ঘরে? নাকি যাবে আমার সাথে?”
কায়নাত ঠোঁট চেপে আড়চোখে একবার মাতাল স্বামীকে দেখে নিচু স্বরে বলল,
“আমার ঘর ছেড়ে আর কোথায় যাব মা? চিন্তা করবেন না, ঘুমিয়ে পড়ুন।”
“সমস্যা হলে ডেকো।”
কায়নাত দরজা লাগিয়ে পিছু ঘুরল। অর্ণ গায়ের কাপড় খুলছে। ঘামে শরীর ভিজে আসছে। লোকটা কেন এত ঘামছে? এই দুদিন বোধহয় গোসলও করেনি। দীর্ঘশ্বাস ফেলল ও। অর্ণকে নিয়ে জোর করে ঢুকল ওয়াশরুমে। অর্ণ কায়নাতের হাত ছাড়তে নারাজ। কায়নাত ঝর্ণার নিচে ওকে দাঁড় করিয়ে নরম গলায় বলল,
“আপনার শরীর থেকে মদের বিশ্রী গন্ধ আসছে। আমার অসহ্য লাগছে।”
অর্ণ খানিকক্ষণ পিটপিট করে তাকিয়ে রইল বউয়ের দিকে। হঠাৎ ডান হাত নিজের মুখের উপর চেপে ধরে বাধ্য ছেলের মতো বলে,
“তুমি গোসল করিয়ে দাও।”
কায়নাত কপাল কুঁচকে ওয়াশরুমের বাইরে বের হতে চাইলে অর্ণ করুণ গলায় বলল,
“দাও না বউ! সত্যি ভদ্র হয়ে থাকব।”
কায়নাত পিছু ঘুরে শান্ত চোখে তাকাল। বলল,
“আপনি কী বাচ্চা? আমার সাহায্য লাগবে কেন?”
“আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছি না।”
না চাইতেও কায়নাত পারল না বারণ করতে। এগিয়ে এসে অর্ণর নিয়ন্ত্রণহীন শরীরটা শক্ত করে ধরে বিরক্ত হয়ে কিছু বিড়বিড় করল। অর্ণ চেপে ধরল ওর সরু কোমর। হেঁচকা টানে কাছে আনতেই মেয়েটার নাজুক শরীর পানিতে ভিজে সর্বাঙ্গে লেপ্টে এলো। কায়নাত চোখ গরম করে মাথা উঁচু করল অর্ণকে দেখার জন্য। সে গুণাক্ষরেও টের পায়নি অর্ণ এমন কাজ করতে পারে।
“কী হচ্ছে? আপনি কী করলেন এটা?”
অর্ণ বউয়ের মুখের সামনে চলে আসা ভেজা চুল গুলো কানের পিঠে গুঁজে দিয়ে মায়া ভরা চোখ মেলে চোখে-চোখ মেলাল।
“আমাকে তোমার এত অসহ্য লাগে? আমার ছোঁয়াও তোমার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে?”
কায়নাত শুকনো ঢোক গিলল। দৃষ্টি নামিয়ে নিল। পর-মুহূর্তে নিজেকে ছাড়িয়ে ওয়াশরুমের বাইরে যেতে যেতে বলল,
“তাড়াতাড়ি বের হন কাজ সেরে।”
হাপাচ্ছ মেয়েটা। বুক ফেটে কান্না গুলো বেরিয়ে আসতে চাইছে। ইচ্ছে করছে কোথাও ছুটে চলে যেতে।
নিজেকে সামলে ঘরে এসে কাপড় বদলে নিল সে। লাল খয়েরী রঙের এক খানা থ্রি-পিস গায়ে জড়িয়ে সবে মাথায় তোয়ালে পেঁচিয়েছে, অমনি অর্ণর আগমন ঘটল রুমে। নেশা বোধহয় একটু কেটেছে। অর্ণর মুখ থমথমে। বলা নেই, কওয়া নেই হনহন করে লম্বা পা ফেলে কায়নাতের সামনে এসে দাঁড়াল। এক মুহূর্ত নষ্ট না করে কোলে তুলে নিল ওকে। ভড়কাল মেয়েটা। হাত-পা ছুড়ে বলল,
“অসভ্য লোক, নামান আমাকে! কোলে নিয়েছেন কেন?”
অর্ণ বিছানার বালিশে শুইয়ে দিল ওকে। নিজেও পাশের বালিশ টা টেনে দূরত্ব কমিয়ে শরীর লেপ্টে শুলো। এমন ভাবে কায়নাতের শরীরটা চেপে ধরেছে যে, কায়নাত শ্বাস অব্দি ঠিক মতো নিতে পারছে না। ছটফট করল সে। ওর ছটফটানি দেখে অর্ণ মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল,
“দুদিন আমার ঘুম হয়নি সোনা। একটু ঘুমাব। বিরক্ত করলে আজ সারা রাত আমি তোমায় বিরক্ত করব। তখন হাজার ছুটে পালাতে চাইলেও সুযোগ দেব না আমি।”
কায়নাত নীরব হয়ে শরীর ছেড়ে দিল। অর্ণ বুঝল সেটা। মুখ খানা কায়নাতের ঘাড়ে ডুবিয়ে চোখের পাতা বন্ধ করল। খুব ঘুম প্রয়োজন। চোখের পাতা খুলে রাখা যাচ্ছে না একদম।
•••
নুসরাত নিজের ঘরে বসে আছে বিছানায়। ঘরে আজ নিশা, জারা আর নিধি শুয়েছে। বাড়িতে এত মানুষ, জায়গা নেই বললেই চলে। আদি আজ স্বার্থর সাথে চলে গেছে। সে নাকি কাল বাবার সাথে গায়ে হলুদে মাকে হলুদ দিতে আসবে। আদির কথা ভেবে নুসরাত কপাল কুঁচকে ফেলল। বিড়বিড় করে বলল,
“বিয়ে হওয়ার আগেই বাপের সাইড কাটা শুরু হয়ে গেছে। বিয়ে হলে কী মাকে আর মনে থাকবে?”
মেহেদী রাঙা হাত নিজের চোখের সামনে ধরল সে। হাতের মধ্যখানে ছোট্ট করে লেখা “Sheher”। হঠাৎ ফোনে শব্দ হলো। নুসরাত তাড়াহুড়ো করে ফোন হাতে নিল। শেহের কল করেছে। তাও আবার ভিডিও কল। নুসরাত একবার ভাবল ধরবে না। লোকটার একটু ধৈর্য নেই? আর একটাদিন ধৈর্য ধরে থাকতে এত কষ্ট হচ্ছে? দিন-রাত কল করে জ্বালিয়ে মারছে। তবু মন মানল না, রিসিভ করল কল। শাড়ির আঁচল টেনে মাথা ঢাকল। কল রিসিভ হওয়ার সাথে সাথে ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে এলো ছোট্ট একটি শব্দ,” মাশাআল্লাহ।” শেহের বিছানায় বালিশে মাথা রেখে শুয়ে আছে। ঠোঁটে লেগে আছে মধুর মতো মিষ্টি মুচকি হাসি। চোখে এক সমুদ্র সমান ভালোবাসা।
“এত রাতে কল করেছ কেন? ঘরে কত মানুষ আছে জানো?”
শেহের বলল,
“আমার বউয়ের সাথে আমি কথা বলব, তাতে কে কী বলল বা ভাবল আমার দেখে লাভ আছে?”
“তুমি খুব বেহায়া শেহের ভাই।”
“হু? ভাই? ভাই কে? আমি তোমার জামাই হই। তিন কবুল করা জামাই। ভাই ডাকছ কোন আক্কেলে?”
ভ্রু কুঁচকে বলল শেহের। নুসরাত থমথমে মুখে শুকনো ঢোক গিলল। কেমন বেহায় লোক! বিয়ে ঠিক হওয়ার আগে কেমন ভেজা বিড়াল সেজে থাকত, আর আজ! অসভ্য লোক।
“ঘরে অনেক মানুষ, কল রাখছি আমি।”
শেহের নরম স্বরে বলল,
“এখনই রাখতে হবে? আর একটু দেখি তোমায়?”
নুসরাত কপট রাগ নিয়ে বলল,
“শোনো, তোমার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক নয়। এমন আবদার করছ যেন বহু দিনের প্রেম আমাদের!”
শেহের নিজের হাত উঁচিয়ে বলল,
“আমার এই হাত দেখেছ রাতপাখি? এই হাত যেমন তোমায় আদর করবে, তেমন বেশি পাঁকামি করলে শাসনও করবে।”
“তুমি আমায় ভয় দেখাচ্ছ? আমাকে? হু!”
শেহের নুসরাতের ভাঁজ পড়া কপালটা দেখে ঠোঁট চেপে বলল,
“আজ ভয় দেখাব কেন? আগামী পরশু রাতে দেখা হচ্ছে। রাখি আজ।”
খট করে কল কেটে দিল ওপাশ থেকে। নুসরাত হতভম্ব হয়ে চেয়ে রইল। শেহেরের মুখ কী নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে গেছে? মুখে যা আসছে তাই বলে যাচ্ছে দুদিন ধরে। এই লোকের সমস্যা কী? আর সে-ই বা কেন আগের মতো ধারাল গলায় কথা বলতে পারে না? কেন মুখের উপর বলতে পারে না, “তুমি তোমার লিমিটে থাকো!”
••
গায়ে হলুদ আজ। বাড়িতে শান্তিতে একটু বসে থাকার জো নেই। হবেই কী করে? বাড়ির প্রত্যেকেই কোনও না কোনও কাজে ব্যস্ত। ব্যস্ত বাড়ির বউ, মেয়ে সবাই। কায়নাত হলুদ বেটেছে একটু আগেই। যদিও শহরে তেমন একটা হলুদ ব্যবহার করে না, কিন্তু দাদি বলেছেন নুসরাতের গায়ে এবার হলুদ দিতে। কাঁচা হলুদ রঙের জামদানি শাড়ির আঁচলে ঝুলছে বাড়ির চাবি। যে কেউ দেখলে ভাববে চৌধুরী বাড়ির কর্তি ওইটুকু মেয়ে। অথচ কায়নাত আঁচলে বেঁধে রেখেছে নিজের ঘরের গোটা চাবির বস্তা টা। কোথায় রাখা হয় মনে থাকে না বলে এই উপায়। দূর থেকে দাদি কায়নাতকে পর্যবেক্ষণ করছেন। মেয়েটা বাঙালি নিয়মে শাড়ি পড়ে লম্বা ঘোমটার জন্য। এই যুগে অমন করে কেউ ঘোমটা দেয় না। সে কেন দেয়? তার চোখ জুড়িয়ে এলো শান্তিতে।
সকালের নাস্তা শেষ হয়েছে। খানিকক্ষণ পর ছেলের বাড়ির মানুষ আসবেন বউয়ের জিনিস-পত্র নিয়ে। সঙ্গে নিশ্চয়ই শেহের আসবে? আসতেও পারে।
বাগান সাজানো শেষ হয়নি এখনও, সেখানে মানুষ ভর্তি। কায়নাত একবার উকি মেরে দেখল বাইরে। দৃষ্টি সরিয়ে ঠোঁট চেপে তাকাল নিজের হাতের দিকে। দুই হাতের তালুতে মেহেদী দেয়া। কোনো ডিজাইন নয়, ইংরেজি অক্ষরে বড় বড় করে একহাতে লেখা, “Arno” আরেক হাতে লেখা, “Arnor’s Wife”
কখন লিখেছে এই নাম? মেহেদীর রং টা মনে হচ্ছে ওর হাতে কালো টিপের মতো। গাঢ় রং হয়েছে খুব। কানে এলো সদর দরজার বাইরে থেকে অর্ণ আর প্রেমের ব্যস্ত কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে। কায়নাত অস্থির হয়ে ছুটে গেল রান্না ঘরে। অর্ণর চোখের সামনে পড়তে চাইল না। তবে সেই দৃশ্য অর্ণর চোখে ঠিকই ধরা পড়েছে। সে শার্টের হাতা গুটিয়ে কপালে আঙুল ঘোষল।
(আর সম্ভব হলো না। আজ সারাদিন বাইরে ছিলাম। বাসায় এসে লিখেছি এইটুকু। আজ নতুন গল্প দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু সামনে আমার পরীক্ষা তাই ভেবেছি পরীক্ষার পর দেব।)
চলবে…?
Share On:
TAGS: প্রেমবসন্ত সিজন ২, হামিদা আক্তার ইভা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৮
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৪৮
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২২
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২৭.১
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৯
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৩
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৩২
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৪৫
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৪০
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৫