#কিস_অফ_বিট্রেয়াল
#পর্ব_৩৭
#লামিয়া_রহমান_মেঘলা
[ কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ ]
আজ ছুটির দিন। মাহমুদ আজ বাড়িতেই আছে তার খুব বেশি কাজ নেই। তাই আজ বাড়ির বাগানটা পরিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে।
বেশ অনেকক্ষণ যাবত কাজ করে কাজ শেষ করে
মাহমুদ বাগান থেকে ঘরে ফিরে দেখল, জারিফ পড়ে গিয়ে পায়ে ব্যথা পেয়েছে। জিনু বুঝে উঠতে পারছে না কী করবে।
অন্যদিকে জারিফ প্রচণ্ড কান্না করছে।
ছেলে দু’টোর এমন অবস্থা, অথচ তাদের মায়ের সেদিকে যেন কোনো ধ্যানই নেই।
মেহেরীণ বসে ফোন টিপছে।
বিষয়টা মাহমুদের মোটেই পছন্দ হলো না।
সে চিৎকার করে উঠল,
“মেহেরীণ।”
ভাইয়ের চিৎকার শুনে মেহেরীণ কান থেকে এয়ারবাড দুটো নামাল।
“কি হয়েছে মাহমুদ?”
“আপু, তুই কি দেখছিস না বাচ্চাটা পায়ে ব্যথা পেয়েছে? তুই কি মানুষ, মানুষ বাদ দে, তুই কি ওদের মা? যবে থেকে এসেছিস, তোকে দেখছি ওদের প্রতি কোনো খেয়ালই দিস না। সমস্যা কি তোর?”
মেহেরীণ বিরক্ত হয়ে উঠে দাঁড়াল।
“কিছু হয়নি জারিফের। ও জাস্ট এটেনশন সিকার।”
“মেহেরীণ, তুই ওদের মা। ওদের কি তোর থেকে এটেনশন সিক করতে হবে?”
মেহেরীণ বিরক্তিতে চোখ ঘুরিয়ে বলল,
“বেশি বকিস না।”
মাহমুদ বুঝল, বোনকে বুঝিয়ে কোনো লাভ নেই।
তাই সে জারিফকে কোলে তুলে নিজের রুমের দিকে হাঁটা ধরল।
মেহেরীণ আবার নিজের ফোনে মুখ গুঁজে দিল।
———–
এভাবেই কেটে যায় বেশ কিছু দিন।
সেরিন এখন পুরোপুরি সুস্থ। মেয়েটা আবার স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারে। এই কয়েকটা দিনে কায়ান যেন তার ছায়া হয়ে থেকেছে। দিনের প্রতিটি মুহূর্তে সেরিনের পাশে ছিল সে। ছোট থেকে ছোট কাজেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সেরিনও ধীরে ধীরে উপলব্ধি করেছে, মানুষটা তাকে ঠিক কতটা গভীরভাবে ভালোবাসে।
এতগুলো দিন সেরিন আর কায়ান একই বিছানায় ঘুমিয়েছে। অথচ কায়ান কখনো তাকে একটি চুম্বন পর্যন্ত দেয়নি, যদিও বিয়ের আগেই সে এমন করেছে। কারণ সে চায়নি সেরিন কোনোভাবে নিজেকে ছোট বা অস্বস্তিকর অনুভব করুক। তার কাছে ভালোবাসার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেরিনের স্বস্তি আর সম্মান।
আজকাল সেরিন এমনিতেই ভীষণ খুশি থাকে। আর কায়ান আশেপাশে থাকলে সেই খুশির যেন আর কোনো সীমানা থাকে না।
রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে চা বানাচ্ছিল সেরিন। বাড়ির ছেলেরা কিছুক্ষণ আগেই ফিরেছে। সবার জন্য চা তৈরি করে সে লিভিং রুমে নিয়ে যাবে।
চা বানানো শেষ করে ট্রেতে সাজিয়ে লিভিং রুমে প্রবেশ করল সে। একে একে সবার হাতে চায়ের কাপ তুলে দিল। ততক্ষণে কায়ান আর জেবরানও এসে গেছে।
আহিরের পাশে বসে গল্প করতে করতে চা খাচ্ছিল সেরিন। এমন সময় কায়ান এসে তার পাশেই বসে পড়ে।
সেরিন একবার ফিরে তাকায়। তাদের চোখাচোখি হতেই মেয়েটির ঠোঁটে মৃদু হাসি ফুটে ওঠে। তারপর আবার সে আহিরের দিকে মনোযোগ দেয়।
সবকিছুর মাঝেও শিমুলকে কেমন যেন আলাদা লাগছিল। তার মুখে ছিল এক অদ্ভুত উদাসীনতা। মনে হচ্ছিল কোনো অদৃশ্য চিন্তা তাকে ভেতর থেকে গ্রাস করে রেখেছে।
চা খেতে খেতে সেরিনও বিষয়টা খেয়াল করল। বড় আপুর এমন চেহারা তার চোখ এড়িয়ে গেল না। তবে সবার সামনে কিছু জিজ্ঞেস করল না সে।
সন্ধ্যার পর সবাই একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে নিল। কিন্তু তখনও শিমুলের চেহারায় সেই একই উদাসীনতার ছাপ স্পষ্ট ছিল।
সেরিন মনে মনে ঠিক করল, রাতে সুযোগ পেলে আপুর সঙ্গে একান্তে কথা বলবে। বাসনপত্র গুছিয়ে রাখতে যখন রান্নাঘরে যাবে, তখনই হয়তো কথা বলা যাবে।
এমনিতে তাদের দুই বোনকে ঘরের কোনো কাজই করতে হয় না। সকালে এসে হেল্পিং হ্যান্ডরা সবকিছু গুছিয়ে দিয়ে যায়।
এসব ভাবতে ভাবতেই সেরিন বাকি কাজগুলো শেষ করল। ততক্ষণে সবাই নিজেদের ঘরে চলে গেছে।
ডাইনিং টেবিলের উপর রাখা নিজের ফোনটা হাতে নিয়ে সে উপরে উঠল। শিমুলের ঘরের দিকে যাওয়ার জন্য পা বাড়াতেই আচমকা কারও শক্ত টানে মুহূর্তের মধ্যে সে একটি ঘরের ভেতর এসে পড়ে।
হঠাৎ ঘটনার আকস্মিকতায় সেরিন বিস্মিত হয়ে যায়। বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে থাকে কায়ানের দিকে।
কায়ান নিজের চুলগুলো হাত দিয়ে পেছনে সরিয়ে সামান্য ঝুঁকে আসে তার দিকে। পরনে সাদা টি শার্ট আর ফরমাল প্যান্ট। এক হাত সেরিনের বাঁ পাশে দেয়ালে রাখা, অন্য হাতটা আলতো করে জড়িয়ে আছে তার কোমরে।
সেরিন ভীষণ ঘাবড়ে যায়।
কিছুটা তোতলাতে তোতলাতে জিজ্ঞেস করে,
“ক কী হয়েছে?”
কায়ানের চোখে তখন দুষ্টু হাসির ঝিলিক।
“কেন, কিছু না হলে বউকে কাছে টানা যায় না?”
সেরিনের লজ্জায় গাল দুটো টকটকে লাল হয়ে ওঠে। কী উত্তর দেবে বুঝে ওঠার আগেই নিজের বাঁ গালে কায়ানের ওষ্ঠের কোমল স্পর্শ অনুভব করে সে।
সেরিন পিটপিট করে তাকিয়ে থাকে কায়ানের দিকে।
ঠিক তখনই বাইরে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।
সন্ধ্যা থেকেই আবহাওয়ার মধ্যে এক অদ্ভুত পরিবর্তনের আভাস ছিল। মাঝেমধ্যে শীতল বাতাস এসে শরীর ছুঁয়ে যাচ্ছিল। এখন সেই বাতাস যেন আরও গভীর, আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
চারদিকের গাছপালা দুলে উঠছে প্রবল হাওয়ার তালে। জানালার কাঁচে বাতাসের স্পর্শে তৈরি হচ্ছে মৃদু কম্পন। দূর আকাশ জুড়ে জমে থাকা কালো মেঘগুলো ধীরে ধীরে রাতের আঁধারকে আরও গাঢ় করে তুলছে।
বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে সিক্ত মাটির গন্ধ। সেই গন্ধে মিশে আছে আসন্ন বৃষ্টির মাদকতা। প্রকৃতি যেন নিজের সমস্ত সৌন্দর্য নিয়ে নতুন এক আবেশে জেগে উঠেছে।
প্রচণ্ড বাতাস বারবার জানালার পর্দা উড়িয়ে দিচ্ছে। দূরে কোথাও বিদ্যুতের ক্ষীণ ঝলকানি রাতের বুক চিরে এক মুহূর্তের জন্য চারপাশ আলোকিত করে আবার হারিয়ে যাচ্ছে অন্ধকারে।
রাতের নিস্তব্ধতা, ঝড়ো হাওয়ার উন্মত্ততা আর বৃষ্টির আগমনী সুবাস মিলে সৃষ্টি করেছে এক মোহময় পরিবেশ। যেন প্রকৃতি নিজেই কোনো অদৃশ্য অনুভূতির গল্প লিখছে, আর সেই গল্পের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে কায়ান আর সেরিন।
সেরিন ড্যাবড্যাব করে তাকিয়েই ছিল। এমন সময় কায়ান তার খুব কাছে এগিয়ে আসে। এক সেকেন্ডও সময় নেয় না। সেরিনকে পাঁজাকোলে তুলে বিছানার কাছে নিয়ে আসে। তারপর অত্যন্ত যত্নে তাকে বিছানায় শুইয়ে দেয়।
সেরিন তখনও যেন এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে ডুবে আছে। চারপাশের সবকিছু তার কাছে অবাস্তব মনে হচ্ছিল। এই অনুভূতি তার কাছে সম্পূর্ণ নতুন। হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে উঠছিল, আর অজানা এক শিহরণ তাকে আচ্ছন্ন করে রাখছিল। সে চোখ দুটো শক্ত করে বন্ধ করে নেয়।
কায়ানও সেদিন নিজের অনুভূতির কাছে পরাজিত হয়েছিল। নিজেকে সংযত রাখার শক্তি যেন তার মধ্যে আর অবশিষ্ট ছিল না। সেরিন তার স্ত্রী। তাদের সম্পর্কের মধ্যে ছিল বিশ্বাস, গ্রহণযোগ্যতা এবং বৈধতার দৃঢ় বন্ধন। সেই ভাবনাই তাকে আর পিছিয়ে যেতে দেয়নি।
একসময় কায়ানের হাত পৌঁছে যায় সেরিনের পিঠের চেইনে। চেইনটা এক টানে খুলে ফেলতে সেরিন চোখ খুলে তাকায়। তাদের দৃষ্টি একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়। কায়ান স্নেহভরে তার দু’চোখে চুম্বন এঁকে দিয়ে মৃদু স্বরে জিজ্ঞেস করে,
“ক্যান আই?”
সেরিন লজ্জায় মুখ লুকিয়ে ফেলে কায়ানের বুকে। আর সেই নীরব সম্মতিই কায়ানের জন্য যথেষ্ট ছিল।
সেরিনের শরীরের অবশিষ্ট কাপড়ের টুকরা টাও তখন ফ্লোরে পড়েছে।
কায়ানের উদাম পিঠে সেরিনের ছোট ছোট হাত দু’টো। সেরিন চোখ গুলো খিঁচে বন্ধ করে রেখেছে৷
কায়ানের পিঠে সেরিনের নখের দাগ পড়ে গিয়েছে।
কায়ান, যেন ঘোরের মাঝেই আছে। সে সেরিনের কান্না দেখতে পারছে না৷
তার পক্ষে ফিরে আসা সম্ভব নয়।
সেরিন ফুপিয়ে ওঠে শব্দ করে। কায়ান একটু নিচু হয়ে সেরিনের ওষ্ঠদ্বয় ফের আঁকড়ে ধরে।
চুমুতে ভুলিয়ে দিতে চায় সেরিনকে। কিন্তু মেয়েটার কান্না কমছে না।
ফর্সা মুখশ্রী রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে।
গাল দিয়ে ধোঁয়া উঠছে মনে হচ্ছে।
কায়ান দু হাতে সেরিনের মুখটা আলতো করে ধরে নিজের দিকে ফেরায়,
“কষ্ট হচ্ছে? “
সেরিন এক বুক আশা নিয়ে মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বলে। ভেবেছিলো কায়ান হয়ত তাকে এবার ছেড়ে দিবে। কিন্তু কায়ান তা করে উল্টে কিছুটা ঝুঁকে সেরিনের কপালে চুমু খায়,
“You have to bear the pain, jaan.”
সেই রাতে ছিল বৃষ্টি, আর ছিল কায়ানের গভীর ভালোবাসা।
রাত তখন একটা। বৃষ্টি থেমে গেছে। সেই সঙ্গে থেমে গেছে কায়ানের ভেতরে বয়ে যাওয়া দীর্ঘদিনের ঝড়ও।
সেরিন ক্লান্ত হয়ে কায়ানের পাশেই ঘুমিয়ে আছে। আর কায়ান সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে নীরবে সিগারেট টানছে। সেরিন এতটাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন যে সিগারেটের গন্ধও তার নাক পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে না।
কিছুক্ষণ নীরবে বসে থেকে কায়ান ঝুঁকে সেরিনের কপালে একটি চুম্বন এঁকে দেয়। এরপর কাবার্ড থেকে একটি কোট বের করে গায়ে জড়িয়ে নেয়। সেরিন অনেকক্ষণ ঘুমাবে, এটা সে জানত। তাই নিজের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে আসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।
———
হিমেল ঘুমে ঢুলছে।
কায়ানের হাতে হকিস্টিক। তার সামনে সেই ৪ জন ছেলে বসে যারা সেরিন এবং কায়ানের ছবি পুরো গ্রাম জুড়ে পোস্টারের মত লাগিয়েছিলো।
কায়ানের হকিস্টিকের মাথা থেকে রক্ত চুইয়ে পড়ছে।
কায়ান সেটা ফেলে এগিয়ে আসে ছেলে গুলোর দিকে।
উপর থেকে কিছু দড়ি ফেলে যার মাথায় মাছ ধরা বর্সির মত কোড়া আর ধারালু।
কায়ান ছেলেগুলোর জ্যান্ত শরীরের চামড়ায় সেই বর্সি বিঁধে ছেলে গুলোকে টানিয়ে দেয় ছাদের সাথে।
ছেলে গুলো নিজের শেষ শক্তি দিয়ে চিৎকার করে কিন্তু লাভ হয়না।
হিমেল এমন চিৎকার শুনে চোখ খুলে তাকিয়ে অবাক হয়ে যায়।
কায়ানের চোখে মুখে রক্তের ছিটা। ওকে ভয়ঙ্কর সাইকো দেখাচ্ছে এই মুহুর্তে।
“ভাই এটা কি করেছিস? এভাবে টর্চার না করে মরেেই ফেলতি।’
” তোর কি মনে হয় ওরা শুধু আমার সেরিনকে কষ্ট দিয়েছে? নারে ওরা শুধু আমার সেরিনকে কষ্ট দেয়নি। ওরা গ্রামের ভেতর থেকে ৬ টা ৯ থেকে ১০ বছরের শিশুকে রেপ করেছে। আর রেপিস্ট দের এটাই শাস্তি।
এভাবে ঝুলে থাকতে থাকতে ওরা মরবে।
ওরা মরার পর কিছু শকুন ছেড়ে দিস শকুন গুলাই খেয়ে যাবে ডেড বডি নিয়ে আর চিন্তা নেই৷”
হিমেল দীর্ঘশ্বাস ফেলে। কায়ানের এই সাইকোপ্যাথ রূপটার সাথে শুধুমাত্র সে পরিচিত।
কায়ানযে ঠিক কতটা সাইকো তা কেউ জানেনা।
হিমেলের ভয় হয় এটা যদি কখনো সেরিন জানতে পারে সেদিন কি হবে।
সেরিন মেনে নিবেত সব।
কায়ানের এই সাইকোনেস সেরিনের জন্য কতটা বাড়তে পারে সে সম্পর্কে সেরিনের কোন ধারণা নেই।
কায়ানকে দেখে বোঝা যায় ছেলেটা ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেয় কিন্তু সে ঠিক কতটা সাইকো এটা শুধুমাত্র হিমেলই জানে।
——–
পর দিন সকালে,
সিকদার নিবাসের আম বাগন থেকে গত রাতের ঝড়ে ঝুড়ি ভর্তি করে আম সংরক্ষণ করা হয়েছে।
ঝুড়ি ভরে আম কেয়ারটেকার এবং মালি মিলে এনে বাড়ির সামনে রাখছে।
বানু মির্জা এত আম দেখে অবাক হলেন। যদিও এসব তিনি খুব একটা খেয়াল করেন না। তবুও এত আম হয়েছে তার যত্ন ছাড়া এটাই কত। তার বাড়িতে কাজ করা লোক গুলো খুব মনোযোগ দিয়ে নিজের বাড়ি মনে করে কাজ গুলো করে।
বানু মির্জা ভালো কিছু আম বেয়াই বাড়িতে পাঠানোর জন্য আলাদা করতে বলে।
আর সবাইকে ভাগ করে নিয়ে যেতে বলে তাদের জন্য কিছু রেখে।
বানু মির্জা এমনই কিছুই তিনি একা খান না। সবাইকে বিলিয়ে দেন।
এতে নাকি স্বদা বাড়ে।
আহি সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে বাহিরে এসে দেখে তার মা এসব করছে।
আহি এগিয়ে গিয়ে বলে,
“বাহ এত আম দিয়ে কি হবে মা?”
“সবাইকে দিব আর আমরা খাব।’
“ওহো। মা আমি বলছিলাম যে জারিফ আর জিনুকে কিছু পাঠাবে? ছেলে দুটোর কথা বড্ড মনে পড়ে আমার৷”
বানু মির্জা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। আসলেই ছেলে দু’টো তার আপন না হলেও খুব টান ছিলো তার। মেহেরীণ ভীষণ বেয়াদব একটা মেয়ে। ছেলে দুটোকে একটুও যত্ন করেনা।
বানু মির্জাবা কতটা করবে। তবুও এটা সত্যি এই আম জারিফ জিনুর খুব পছন্দ। কিছু আম জারিফ জিনুর নাম করে পাঠালে খুব একটা ক্ষতি নেই।
চলবে?
Share On:
TAGS: কিস অফ বিট্রেয়াল, লামিয়া রহমান মেঘলা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ২৫
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ১৭
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ২১
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৪২
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৬
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৬৩
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ৩
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৪৪
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৯
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৬৪