প্রণয়ের_মায়াতৃষ্ণা ||১৩||
ফারজানারহমানসেতু
রোজা আর তুবা আজ তূর্জানের গাড়িতে এসেছে। তূর্জান ওদের ভার্সিটিতে নামিয়ে দিয়ে আবার কোথায় যেন গেলো। তুবা আর রোজা ভার্সিটিতে যেতেই নূর এসে চিপকে ধরল। যদিও দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরেছে। রোজার ভাষায় এটাকে চিপকে ধরাই বলে। নয়তো এসেই এমন সাপের মতো পেচিয়ে ধরার কি দরকার।
তিনজন মিলে ক্লাসে যেতে যেতে নূর বলল, “ রোজা এসাইনমেন্টের কি খবর? “
রোজা মুখ ভেঙচি কেটে বলল, “ হুমম কমপ্লিট করেছি! বাট কোন হাদারাম জয়েন করছে ভার্সিটিতে যে এসেই বস্তা বস্তা এসাইনমেন্ট কমপ্লিট করাচ্ছে? “
নূর বলল, “ তা তো আমি নিজেই জানি না কোন প্রফেসর আসতেছে! তবে যেই আসুক তোর জন্য ভালো!”
“ মানে, আমার জন্য ভালো কেমনে? “
“ আমি আর তুবা যখনকার এসাইনমেন্ট তখনি জমা দিই! তো এই প্রফেসর আসলেও আমাদের লাভ, ক্ষতি কিছুই না। কিন্তু তুই এক সপ্তাহের এসাইনমেন্ট আরেক সপ্তাহে দিস, তো এখন তুই আমাদের সাথে জমা দিবি। তোর কাজ আর পরে থাকবে না মাথার উপর!”
এই মেয়ে কিয়া লজিক দিচ্ছে। এতদিন রাগ শুনলেও ইচ্ছা মতো জমা দিয়েছে। আর এখন ওই বজ্জাত প্রফেসরের জন্য নিয়মিত জমা দিতে হবে। এটা ভালো কোথায়? রোজার সাথে তুবা সবসময় থাকলেও ভার্সিটিতে নূরের সাথে মিলেই বেশি ভন্ডামী করে রোজা। তুবা শান্ত হওয়ায় ওরা দুজন তুবাকে ঝামেলায় ডাকেও না। রোজা চায় ওর জন্য তুবা কষ্ট না পাক। তাইতো যেদিন দুষ্টামি করবে সেদিন জোর করে তুবাকে অন্য জায়গায় বসায়। যদিও তুবা রোজার জন্য পানিশমেন্টও খেতে রাজি। তবে রোজার রাগ, অভিমান সম্পর্কে অবগত থাকায় রোজার কথা মানতে বাধ্য। রোজা নিজের মনে কিছু ফন্দি আটছে।
তুবাকে বলল, “তুবা বুড়ি….
বলতেই তুবা বলল, “ অন্য জায়গায় বসতে পারবো না। “
“ তুবা বুড়ি আজকের মতো অন্য জায়গায় বস। “
তুবা বসতে নারাজ। তবে অনেক রিকোয়েস্ট করে তুবা অন্য জায়গায় বসতে রাজি হলো। তুবা বলল,
“যাই হোক তোরা দুজন আজ প্রফেসরের সাথে ভালো ব্যবহার করিস। যেন আবার প্রফেসর কে কিছু করতে গিয়ে নিজেরা বাঁশ খেয়ে বসে না থাকিস।”
দুজনে গর্ভের সাথে বলল, “ দেখেছিস কোনোদিন আমরা বাঁশ খেয়েছি। যে আজ খাবো!”
“ মানুষের ভালো করতে নাই! এতদিন এইসব প্রফেসররা পরিচিত তাই পেরেছিস, আজ যে আসছে এর সম্পর্কে কেউই জানে না। যা করবি সাবধানে। “
★★★
ক্লাসে বসে নূর আর রোজা গল্পে মেতেছে।পাশে একটা ছেলে বসে তাদের দিকে হাবলার মতো তাকিয়ে আছে, যেন জীবনের এই প্রথম কিছু দেখছে। হঠাৎ একটা কটাক্ষ সূর ভেসে আসতেই পুরো ক্লাস জমে গেলো বরফের মতো।
“মিস রোজা স্টান্ড আপ, এটা পড়ার জায়গা গল্প করার জায়গা না। “
রোজা আস্তে করে উঠে দাড়াল। সামনে থাকা তূর্জান নেওয়াজ কে দেখে কিছুটা ভড়কে গেল।
এই বেটা এখনে কি করে? না আবার বাড়ির মতো এখানেও পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করতে আসছে? তুবা আহম্বক বনে গেছে। বুঝে ফেলেছে তূর্জান নেওয়াজই তাদের ভার্সিটির নতুন প্রফেসর। সব ছেলে মেয়েরা দাড়িয়ে সম্মান জানালেও রোজা এতক্ষন গল্পের অতিপর্যায়ে থাকার জন্য কিছুই খেয়াল করেনি।নূর হতবাক হয়ে আছে, প্রথম দিন এসে প্রফেসর কিভাবে নাম জেনে নিল।
মনে মনে আওড়াল,”বাপরে এর সম্পর্কে আমি অবগত হয়ে গেছি! আমি নেই! “
সব মেয়েরা যেন হঠাৎ ডুমুরের ফুল দেখেছে, এমন ভাবে তূর্জানের দিকে তাকিয়ে আছে। তূর্জান সকলের দৃষ্টি উপেক্ষা করে রোজার দিকে তাকিয়ে তিক্ষ্ণ দৃষ্টি ফেলে বলল,
“ক্লাসে এসেছি, সামান্য ম্যানার’স নেই যে প্রফেসর আসলে উঠে দাড়াতে হয়, ম্যানার’লেস। ক্লাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত দাড়িয়ে থাকুন।”
রোজার মুখে কথা নেই। এই বেটা তাদের নতুন প্রফেসর। বাড়িতে যা কথা শোনায়, এখন ভার্সিটিতে এসেও শুরু করল। আরে ভাই দুনিয়ায় আর চাকরি নেই, তোর এই প্রফেসর হতে হলো। প্রফেসর হবি ভালো কথা আর কোনো ভার্সিটি নেই। তবে এর সামনে কিছু কেন বলতে পারছে না।
মিনমিন করে বলল,“সরি,স্যার।”
ততক্ষনে রোজার পাশে থাকা রবিনের দিকে তাকিয়ে কটাক্ষ সুরে বলল,“ মি. রবিন চেঞ্জস ইউর সিট টু এনোদার সিট। আশা করি আমার ক্লাসে আর কোনো এক্সট্রা কথা হবে না।”
বলেই তূর্জান নিজের ক্লাসে মনোযোগী হলো। ক্লাস চলল, প্রায় একঘন্টা।রোজা পুরো সময় দাড়িয়ে তূর্জানকে নানা ধরনের নাম দিতে থাকল,
হিটলার, খবিস, অশান্তি, অসহ্য, বিরক্তকর, ব্রিটিশ,। ততক্ষনে তূর্জান ক্লাস থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার আগে একবার রোজার দিকে তাকিয়ে চলে গেল।
তূর্জান বেড়তেই নূর আর তুবা রোজার কাছে এসে বলল,“রোজা তুই ঠিক আছিস?”
রোজা তুবার দিকে তাকিয়ে বলল, “ তোর ভাই ঠিক থাকতে দিলে তো ঠিক থাকবো। বেটা অসহ্য!
তুবার এখানে কি করার, সে তো দূরে বসেছে আর তূর্জানের সামনে কিভাবে ওকে সাবধান করতো। নূর বলল, “ তুবা এইটা তোর ভাই? “
তুবা হালকা হেসে বলল,“ হুম! “
“ মানে রোজার কাজিন! প্রথম দিনেই যদি এমন শাস্তি দেয়, বাপরে…”
একটু থেমে নূর আবার বলল,“ চল ক্যন্টিনে যাই, পরবর্তী ক্লাস আবার ৩০ মিনিট পর, তাছাড়া আমাদের বন্ধুত্বের তিনমাস উপলক্ষে তোদেরকে আজ আমি ক্যন্টিনের সবচেয়ে ভালো ফুড টেস্ট করাবো।“
বলেই রোজা আর তুবাকে টানতে টানতে নিয়ে গেল ক্যন্টিনে। রোজা কিছু বলছে না দেখে নূর বলল,
“ জান রোজা , মানছি কোনো স্যারের থেকে কোনোদিন বকা বা পানিশমেন্ট পাসনি। এই
তূর্জান স্যার প্রথম দিনেই তোর সাথে এমন করলো । কিন্তু তোর কাজিন হওয়ার পরও তোর সাথে ওরকম করল কেন জানিনা? তবে মনে হয় তিনি তার ক্লাসে মনোযোগী ভীষণ, তাই মনে হয় স্যার যখন এলো তুই রবিনের সাথে সাথে কথা বলছিলে তাই ওরকম করলো। “
“ আমি কি করব, যদি ওই ছেলে এসে আমার সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় “
তুবা বলল, “ ভাইয়া আসলে মনে হয় চায় না নেওয়াজ পরিবারের মেয়েরা ছেলেদের সাথে মিশুক, কথা বলুক। তুই তো বলিস না, কিন্তু দেখ আজকে বললি, আর আজকেই ধরা খেয়ে গেলি।“
তুবা আর কিইবা বলবে? সে তো এখন বলতে পারছে না। যে ভাইয়া তার বউকে অন্য কারো সাথে কথা বলতে দিবে না।
একটু থেমে তুবা আবার বলল,” তুই তো কারো সাথে কথা বলিস না। তাই আর কারো সাথে বলার দরকার ও নাই। “
“ যদি ওই ছেলের কারণে আমাকে শাস্তি দেয়, তাহলে আমি আর ওই ছেলের সাথে কথাই বলব না। আমার জীবনে প্রথম পানিশমেন্ট!তাও তোর ভাইয়ার থেকে! তোর ভাইকে আমি কি করবো নিজেও জানি না। মাথার চুল সব ছিড়ে ফেলবো!“
তুবা আস্তে করে বলল, “ তাতে আমার কি? তুই যদি চুল ছাড়া স্বামী নিয়ে থাকতে পারিস, আমি ও চুল ছাড়া ভাইয়াকে নিয়ে থাকতে পারবো। “
আর কোনো কথা না বলে তিনজনে খেতে লাগল, নিজেদের মনের মতো মানুষ পাওয়া তাও আবার বন্ধু হিসাবে এটা সত্যিই আনন্দদায়ক। যা রোজা আর তুবা পেয়েছে। ভার্সিটি তে পা রাখতেই কেমন নূরকে পেয়ে গেছে।কিন্তু আজকে কিছুতেই খুশি হতে পারছে না। যেখানে নতুন প্রফেসর কে হেনস্থা করবে সেখানে রোজা নিজেই
এখন দানবের খপ্পরে পড়েছে। কেউ কাউকে একঘন্টা দাড় করিয়ে রাখতে পারে। তাও নিজের চাচাতো বোনকে। হু পারে তূর্জান নেওয়াজ পারে।
তারপর রোজা, তুবা আর নূর এসে পরবর্তী ক্লাস গুলো করে নিল। প্রায় চারটা বাজে, চারিদিকে হালকা গোধূলির আলো আছে। তুবা আর রোজা ভার্সিটি থেকে বেরিয়ে দেখল। তূর্জান গাড়িতে ঠেস দিয়ে ফোনের দিকে তাকিয়ে দাড়িয়ে আছে। রোজারা আসতেই ফোনে স্কল করতে করতে বলল,
“ ফাইভ মিনিট’স লেট “
“(….)”
“ গাড়িতে উঠ তাড়াতাড়ি “
“ (….) “
তুবা কোনো কথা না বলে পিছনের সিটে গিয়ে বসল। তূর্জান গাড়ির দরজা খুলে দিতে গেলে রোজাও তুবার কাছে গিয়ে গাড়ির ব্যাক সিটে বসতে গেল। তূর্জান বুঝল মহারানীর আকাশ সমান অভিমান। তাও মুখে গাম্ভীর্য রেখে বলল,
“ আমি তোদের ড্রাইভার নই, যে দুজনকেই পিছনে বসিয়ে আমি ড্রাইভ করব। “
রোজা কোনো কথা না বলে জোরে দরজা আটকে সামনের সিটে এসে বসল। তূর্জান ও আর কথা বাড়াল না। ড্রাইভিং সিটে সে দক্ষ হাতে ড্রাইভ করতে লাগল। গাড়ি ইউনিভার্সিটির গেট পেরিয়ে ছুটল বাড়ির দিকে। বাড়ি ফেরা পর্যন্ত রোজা একটা কথাও বলেনি। গাড়ি থামতেই রোজা নেমে দৌড়ে বাড়িতে ঢুকল। রোজার এমন মুখ দেখে তূর্জানের মা তানিয়া নেওয়াজ সোফায় বসে ছিলেন তিনি বলল,
“ কি রে মা, এমন রেগে আছিস কেন। “
রোজা বুঝল ওই হিটলার টাকে এবার বকুনি খাওয়াবে। তাই সিড়ি থেকে ফিরে এসে সোফায় বসা তানিয়া নেওয়াজের কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল, মুখে কাদো কাদো ভাব রেখে বলল,
“জানো বড় আম্মু, ভার্সিটি তে একটা হিটলার আমাকে বকেছে, শুধু তাই নয়, আমাকে তার ক্লাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত দাড় করিয়ে রেখেছে, আমাকে বলেছে আমি নাকি ম্যানার’লেস “
মিরান বলল, “বনু কে তোকে এসব বলেছে? ব্যাটাকে তো উত্তম মাধ্যম দেওয়া উচিত!”
মোস্তফা নেওয়াজ বাসায় নেই। নয়তো এতক্ষন কি করতো কেউই জানে না। রাহেলা নেওয়াজ ধীরে এসে বসল রোজার পাশে বলল, “ দিদিভাই, লোকের কথায় কান দিতে নেই। নিশ্চই ওই প্রফেসর ভালো না। নয়তো তোমাকে বকবে কেন?”
রেহেনা নেওয়াজ বলল, “ আচ্ছা তুই কিছু করিস নি তো? “
“ আমি কি করবো? আমি ভার্সিটিতে যাই পড়াশোনা করতে? “
রোজার কথা শুনে তূর্জানের বাবা তাজারুল নেওয়াজ বলল,
“ আচ্ছা আম্মু,কোন বখাটে বলল যে আমার আম্মু ম্যানার’লেস, যে বলেছে সে ম্যানার’লেস, তাছাড়া দাড় করিয়ে রেখেছে তাহলে সে কতো বড়ো বেয়াদব, নিশ্চই তার বাবা-মা ঠিক মতো মানুষ করতে পারে নাই। আর…. “
ততক্ষনে তুবা আর তূর্জান বাড়িতে ঢুকেছে। তূর্জান যতটুকু শুনেছে বুঝল তার নামে শালিশ দেওয়া হয়েছে। তাই সিড়ি বেয়ে নিজের রুমে যাওয়ার সময় বলল,
“ নিজেদের নামে কম বদনাম করো!“
বলেই চলে গেল। তানিয়া নেওয়াজ আর তাজারুল নেওয়াজ সহ বাকি কেউই কিছু বুঝল না, তারা নিজেদের নামে কখন বদনাম করল। রোজাও কিছুক্ষন পরে রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিল। আহা শান্তি হিটলার টাকে বকুনি খাইয়েছে।
রাতে সবাই একসাথে খাবার খেতে বসল। তানিয়া, আর রেহেনা নেওয়াজ সবাই কে খাবার দিয়ে দিল। খাবার খেতে খেতে মোস্তফা নেওয়াজ তূর্জানের দিকে তাকিয়ে বলল,
“ রোজাকে কে পানিস্ট করেছে, কিছু জানো। “
“ (…) “
তূর্জান যেন কারোর কথাই শুনছে না। মনোযোগ দিয়ে খাবার খাচ্ছে ।তুবা সব কিছু মিরানকে বলেছে। এত কিছু হচ্ছে কিন্তু মিরান কিছুতেই তুবাকে কিছু বলতে দেবে না। মিরান তূর্জানের দিকে তাকিয়ে হাসছে। আরাজ মিরানের পাশে বসেছে। ছোট্ট আরাজ বলল, “ ফুপি বেয়াদব,, ইয়েএএ ফুপি আমাকে বেয়াদব বলে। ফুপি কেউ বেয়াদব বলেছে। “
রাফিয়া ইশারায় আরাজকে চুপ করতে বলল। আরাজ তার মাকে ভীষণ ভয় পায়। প্রত্যেকটা কথা মেনে চলে তাই সে চুপ হয়ে গেল। রাফিয়া বলল, “ রোজা তুই কিছু করিস নি তো? নয়তো একটা প্রফেসর শুধু শুধু কাউকে কেন পানিশমেন্ট করবে? “
এত কিছুর পরও তূর্জানকে চুপ থাকতে দেখে তানিয়া নেওয়াজ বলল,
“ তুই জানিস না, কোন অসভ্য ছেলে রোজাকে পানিস্ট করেছে। বেয়াদব একটা নিজের পারিবারিক শিক্ষা নেই, অন্য কে বলে ম্যানার’লেস।”
তূর্জান এতক্ষন চুপ করে শুনলেও এবার রোজার দিকে তাকিয়ে বলল,
“ ওকে জিজ্ঞেস করো, কি কারণে পানিস্ট করেছে, শুধু শুধু একজনকে না জেনে বকে যাচ্ছো। নিশ্চই তোমাদের আদরীনী কিছু করেছে নইতো কার এতো ঠেকা যে ওকে পানিস্ট করবে “
বলেই উঠে চলে গেল। রোজা তখন তানিয়া নেওয়াজকে বলল,
“ দেখলে বড় আম্মু হিটলার টা আবার আমায় রাগ দেখাল।“
কারোরই বুঝতে বাকি রইলো না তারা এতক্ষন নিজেদের কে উল্টো পাল্টা বলছিলো।
ইনশাআল্লাহ চলবে….
আজকের অনুভূতি প্রকাশ করে যাও পাখিরা।
আর নতুনরা Farzana Rahman Setu
পেইজটা ফলো দিয়ে যাও।।নীল লেখায় ক্লিক করুন।
Share On:
TAGS: প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা, ফারজানা রহমান সেতু
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৪
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা গল্পের লিংক
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৬
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ২
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৫
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১১
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১২
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৭
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৯