#শেষ_পাতায়_সূচনা [৬১.১]
#সাদিয়া_সুলতানা_মনি
বয়সের ভাড়ে নুইয়ে আসা এক সুট বুট পরিহিত ভদ্রলোক ছুটতে ছুটতে ঢাকা সিটি হসপিটালে প্রবেশ করে। রিসেপশনিস্টের কাছ থেকে নিজের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিটির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জেনে নিয়ে আবারও ছুটতে থাকে। ছুটতে ছুটতেই নিজের চোখের কোণে জমা হওয়া নোনাপানি মুছে নেট কোর্টের হাতা দিয়ে।
আইসিইউ রুমের সামনে এসে বেশ কয়েকজন অপরিচিত মুখের দেখা পায় সে। এদেরকে কাউকেই সে চিনে না। পাশ দিয়ে একজন সিস্টার তখন ট্রে হাতে নিয়ে যাচ্ছিল। বয়স্ক লোকটি নার্সটিকে থামিয়ে ধরা গলায় জিজ্ঞেস করে–
—আচ্ছা, আমার টনির কোথায় বলতে পারেন নার্স?
—টনি? মানে মি.জুনায়েদের কথা বলছেন?
—হ্যাঁ, জুনায়েদ কোথায়?
—কিন্তু আপনি কে বলুন তো?
জাফর সাহেব ভেঙে আসা গলায় বলে–
—আমি ওর হতভাগা পিতা। কি অবস্থা আমার ছেলেটার?
—উনাকে তো বর্তমানে আইসিইউ তে রাখা হয়েছে। অবস্থা বেশি একটা ভালো না উনার। পাঁজরের একটা হাড় ভেঙেছে তার আর ডান পা’টা ফ্যাকচার হয়েছে। এখনি জ্ঞান ফেরেনি তার।
সন্তানের এমন করুণ অবস্থার কথা শুনে কোন পিতা কি নিজেকে ঠিক রাখতে পারে? শতকরা নিরানব্বই শতাংশের উত্তরই হবে, না। পারে না। জাফর সাহেবও সেসব পিতাদেরই একজন।
প্রিয়তমা স্ত্রীর একমাত্র আমানতকে জীবনের একটা লম্বা সময় পর্যন্ত অবহেলা, অনাদরে রেখেছিলেন তিনি। তবে বিষয়টা যতদিনে তিনি বুঝতে পেরেছেন, ততদিনে জুনায়েদ নিজের মনকে কঠোর করে তুলেছিল। সেখানে তার পিতা ব্যতীত অনেক মানুষেরই ঠায় হয়েছে। কিন্তু তাকে ঠায় দেয়নি সে, আর না ভবিষ্যতে দিবে।
আজ সকালে মেয়েকে কলেজে ড্রপ করে অন্যান্য দিনের মতোই সে কলেজের সামনে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন, ছেলেকে এক নজর দেখার জন্য। কাল রাত থেকে তার মনটা বড্ড কু ডাকছে। আজ ভোরে একটা স্বপ্ন দেখে মনটা আরো বেশি অস্থির হয়ে রয়েছে। স্বপ্নে সে দেখেছে, টনির মা এসেছে তার সাথে দেখা করতে। কিন্তু ভদ্রমহিলার চোখমুখ বিষাদের ঢাকা। মুখ ফুটে শুধু দুটো কথাই বললেন তিনি–
—আমার এইটুকু আমানত তুমি সামনে রাখতে পারলে না জাফর? ঠিক আছে, তোমাকে আর দায় বইতে হবে না। আমার জিনিস আমি সাথে করে নিয়ে যাচ্ছি।
এই কথাটা বলার পরপরই জাফর সাহেবের স্ত্রী হাওশায় মিলিয়ে যায়। আর সেও ঘুম থেকে ধরফর করে জেগে বসে।
আমানত বলতে মিসেস জাফর যে, টনিকে বুঝিয়েছেন সেটা জাফর সাহেব ঠিকই বুঝতে পেরেছেন। তারপর থেকেই ছেলেটাকে দেখার জন্য তার পিতৃমন ব্যাকুল হয়ে রয়েছে।
কলেজের নির্দিষ্ট সময় পাড় হয়ে যাওয়ার পরও যখন টনি কলেজে আসে না, তখন জাফর সাহেব সিদ্ধান্ত নেয় তার কলেজের প্রিন্সিপাল অর্থাৎ তার বন্ধুর সাথে কথা বলবেন, টনির কলেজে না আসার বিষয় নিয়ে। এই ভাবনা থেকে যেই সে প্রিন্সিপালের রুমে ঢুকবে, তখনই তিনি দেখতে পান প্রিন্সিপাল সাহেব হুড়মুড়িয়ে নিজের কেবিন থেকে বেরিয়ে এসেছেন।
জাফর সাহেব প্রিন্সিপাল সাহেবকে থামিয়ে তার এমন তাড়াহুড়োর কারণ জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, বিনা নোটিশে আজ টনি না আসায় সে নিজেই টনিকে ফোন দেন, না আসার কারণ জিজ্ঞেস করতে। তখন ফোনটা অন্য একজন ধরলে, তার মারফত জানতে পারেন, কাল রাতে টনির একটা ভয়াবহ এক্সিডেন্ট হয়েছে। আর মাঝরাতে তার অপারেশন হলেও, বর্তমানে আইসিইউতে রয়েছে টনি।
খবরটা শোনা মাত্রই সে রওনা দিয়েছেন হসপিটালে আসার জন্য। কারণ প্রিন্সিপাল ভদ্রলোক বাকিদের থেকে টনিকে একটু বেশিই স্নেহ করেন, যবে থেকে জানতে পেরেছে টনি এতিম। এছাড়া টনি অনেক নিষ্ঠাবান নিজের কাজের প্রতি।
ছেলের এহেন অবস্থার কথা শুনে জাফর সাহেবও তার সাথে সাথেই রওনা দেয় হসপিটালের উদ্দেশ্যে। এদিন প্রিন্সিপাল সাহেব জাফর সাহেব ও টনির সম্পর্কের কথা না জানলেও, আজ টনির এক্সিডেন্টের খবর শোনার পর জাফর সাহেব পাগলের মতো আচরণ করা শুরু করেন। তখন প্রিন্সিপাল সাহেব জাফর সাহেবকে একটু চাপ দিতেই সে কাঁদতে কাঁদতে নিজের কৃতকর্মের কথা জানায় বন্ধুকে।
প্রিন্সিপাল সাহেব সব শোনার পর যদিও জাফর সাহেবকে বকা দিতে চান, তবে তার বর্তমান মানসিক অবস্থার কথা ভেবে আর কিছুই বলেন না।
নার্সটি টনির হেল্থ সম্পর্কে জানিয়ে চলে যায়। আর জাফর সাহেব তার কথা শুনে কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে বসে পড়েন। সে এমনিতেই অনুতপ্ত ও মনঃকষ্টে ভুগছিলেন ছেলের প্রতি করা অবিচারের জন্য। কিন্তু আজ যেন সে নিজের বিবেকের কাছেই নুইয়ে পড়ছেন লজ্জায় । তাকে এমনভাবে ভেঙে পড়তে দেখে প্রিন্সিপাল সাহেব এসে বন্ধুকে সামলাতে থাকেন।
—এখন এত কান্নাকাটি করছেন কেন? নাটক করতে এসেছেন এখানে? অনেক করেছেন নাটক। এবার যেতে পারেন মি. জাফর ইসলাম।
একটি তীক্ষ্ণ নারী কণ্ঠের তাচ্ছিল্য করে বলা শব্দগুলো শুনে জাফর সাহেব ও প্রিন্সিপাল সাহেব উভয়েই পেছনে ফিরে তাকায়। এ শহরের সবচাইতে ইয়াং ও খ্যাতিমান বিজনেস ওমেন আনাবিয়া শেখ পূর্ণতাকে উক্ত কথাটি বলতে দেখে জাফর সাহেব ও প্রিন্সিপাল সাহেব উভয়েই অবাক হন। পূর্ণতার কণ্ঠে ছিল একরাশ ক্ষোভ ও ক্রোধ।
—আজকের মতোই করুণ অবস্থা সাড়ে পাঁচ বছর আগেও হয়েছিল টনির। বাড়ি ভাড়ার টাকা দিতে না পেরে বাড়িওয়ালা লোক ডেকে টনির ঘরের সব জিনিসপত্র রেখে তাঁকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছিল। একা ছেলেটা সেদিন খালি পেটে ঘন্টার পর ঘন্টা কানাডার শীতল রাস্তায় কাটিয়েছে। ক্ষুধার তাড়নায় একসময় রাস্তাতেই বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকলেও কেউ এগিয়ে আসে না। তুষারপাত হয়ে সেই নিস্তব্ধ শরীরটার অর্ধেকটা ঢেকে গিয়েছিল। ঠান্ডায় জমে গিয়েছিল ছেলেটি।
তখন তো আপনার পাষণ্ড মন একবারও কাঁদে নি। একটা বারের জন্য তো মনে হয়নি, আমার মা হারা ছেলেটা ঐ বিদেশের মাটিতে কি করে নিজের খরচ চালাচ্ছে? কি খাচ্ছে? কোথায় থাকছে? কানাডার মতো একটা দেশে হুট করেই যে কোন কাজ পাওয়া যায় না, সেটা আপনার অজানা ছিলো কি মি.জাফর ইসলাম?
জাফর সাহেব পূর্ণতার কোন প্রশ্নেরই উত্তর দিতে পারেন না। অপরাধবোধ ও লজ্জায় মাথা নিচু করে নেন তিনি। কিন্তু তার হয়ে এগিয়ে আসে তার বন্ধু প্রিন্সিপাল সাহেব। সে গম্ভীর গলায় বলেন–
—আপনি এসব কি করে জানলেন মিসেস শেখ? আর আপনার সাথে টনির পরিচয় কীভাবে?
পূর্ণতা একটু দম নিয়ে বলে–
—সেদিন শীতে মরণাপন্ন ছেলেটাকে আমিই হসপিটালে নিয়ে গিয়েছিলাম। সুস্থ হওয়ার পর আমি ওকে বোনের মমতায় নিজের কাছে আগলে নিয়েছি। ও যখন এই বিশাল পৃথিবীতে নিজেকে এতিম ভাবতে শুরু করেছিল, তখন আমিই ওকে বুঝিয়েছি, ও এতিম নয়৷ আমি ওর আপনজন, আমি ওর বোন, ওর অভিভাবক।
জাফর সাহেব ও প্রিন্সিপাল সাহেব অবাক হয়ে যায় পূর্ণতার কথা শুনে। সেই সাথে তারা এটাও বুঝতে পারে টনির সাথে পূর্ণতার আর ওর পরিবারের সম্পর্ক কি।
এরই মাঝে এলোমেলো অবস্থায় কাঁদতে কাঁদতে ছুটে আসে এক সুশ্রী রমণী। বলার অপেক্ষা রাখে না রমণী আর কেউ না জিনিয়া ছাড়া। মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে নিজের অবস্থা কাহিল বানিয়ে ফেলেছে। উচ্চস্বরে কাঁদার কারণে গলা ভেঙে গিয়েছে মেয়েটার।
আজ ভোর রাতেই টনির অপারেশন শেষ হওয়ার পরও যখন জ্ঞান ফিরছিল না, তখন জিনিয়া আরো বেশি পাগলামি শুরু করে। তাই ডাক্তার তাঁকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছিল। মাত্রই ঘুম ভেঙেছে তার, ঘুম ভাঙার সাথে সাথেই মেয়েটা আইসিইউ ইউনিটে ছুটে এসেছে।
কিছুদিন আগেই মা’কে হারিয়ে মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়েছিল জিনিয়া। সেই ক্ষত না সারতেই এমন একটা সিচুয়েশনে পড়ল।
জিনিয়া কাঁদতে কাঁদতে আইসিইউ রুমের মধ্যে ঢুকে যেতে চায়, কিন্তু পূর্ণতা তাঁকে খপ করে ধরে ফেলে ঢোকা থেকে। আইসিইউতে ঢুকতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে জিনিয়া হাউমাউ করে কাঁদা শুরু করে দেয়। পূর্ণতাকে ছাড়িয়ে চলে যেতে চায় আইসিইউতে, কিন্তু পূর্ণতা তাকে শক্ত করে ধরে রাখে। নিজেকে ছাড়াতে না পেরে জিনিয়া ফ্যাসফ্যাসে গলায় বলে–
—ভাবীপু, ও ভাবীপু, আপু রে! আমাকে প্লিজ ছাড়ো আমায়। ওর কাছে আমায় যেতো দাও। নাহয় ওকে চোখ খুলতে বলো। ওকে এভাবে আমি দেখতে পারছি না। ও কতটা ব্যথা পেয়েছে দেখেছো। ছেলেটা শুধু ব্যথা, দুঃখ, কষ্টই পায়। আমি ওর কাছে গিয়ে একটুও শব্দ করব না, শুধু ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিবো।
আমার জুনায়েদের মাথায় কত বড় একটা ব্যান্ডেজ করেছে তুমি দেখলে না? নিশ্চয়ই ওর মাথায় অনেক ব্যথা করছে। আমি একটু যাই না ভাবীপু, একটু যাই।
পূর্ণতা জিনিয়াকে শক্ত হাতে আগলে নিয়ে তাঁকে টেনে আইসিইউর সামনে থেকে নিয়ে এসে কিছুটা দূরে রাখা ওয়েটিং চেয়ারে বসিয়ে দেয়। তারপর সেও তার পাশে বসে জিনিয়াকে নিজের বুকে টেনে নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলে–
—এমন করে না জিনু। আইসিইউতে তো শুধু টনি নেই, আরো কয়েকজন পেশেন্ট রয়েছে। তুমি যদি যাও ওখানে তাহলে তাদেরও সমস্যা হবে। একটু সামলাও নিজেকে, এতটা ভেঙে পড় না।
—জুনায়েদকে চোখ খুলে তাকাতো বলো ভাবীপু। ও কেন এখনও চোখ খুলছে না। ডাক্তার ওকে নিয়ে পজিটিভ কিছু এখনও বললো না। ওর কিছু হলে আমি সত্যিই শেষ হয়ে যাবো। এত হারাতে পারব আমি। আমার সহ্য শক্তি এত মজবুত নয়।
—ওর কিছু হবে না ইনশা আল্লাহ। আমরা এতজন ওর জন্য দোয়া করছি, আল্লাহ পাক নিশ্চয়ই আমাদের এত আকুতি ফিরিয়ে দিবেন না।
জাফর সাহেব এতক্ষণ প্রচন্ড বিস্ময় নিয়ে জিনিয়া ও পূর্ণতার কথা শুনছিলেন। জিনিয়ার কথা ও আচার-আচরণ দেখে জাফর সাহেবের বুঝতে বাকি থাকে না, পাগলামি করতে থাকা মেয়েটিই তার ছেলের প্রেয়সী।
তারা সকলেই সেখানে বসে অপেক্ষা করতে থাকে একটা ভালো খবর পাওয়ার জন্য। জাফর সাহেব জাওয়াদের সাথে কথা বলে জানতে পারেন, কাল রাত টনির ফোন দিয়ে কেউ একজন জিনিয়াকে ফোন করে। রাত তখন আনুমানিক সাড়ে নয়টা কি পৌঁনে দশটা। লোকটি জানায় টনি বাজেভাবে আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে আছে। টনিকে প্রথম দেখতে পাওয়া লোকটি আরো কিছু লোকের সহায়তায় তাঁকে হসপিটালে নিয়ে আসে। আর টনিকে হসপিটালে এডমিট করার পর তার পকেটে থাকা ফোন চেক করলে প্রথম নাম্বারটি “My Love” দিয়ে সেভ করা ছিল। লোকটি নাম্বারটিতে ফোন দিলে জিনিয়া ধরে। তারপর লোকটি খবরটি জানালে জাওয়াদরা তৎক্ষনাৎ এখানে চলে আসে।
ডাক্তার টনিকে এক্সামিন করে জানায়, টনির সম্ভবত প্রথমে গাড়িতে এক্সিডেন্ট হয়। এরপর কেউ বা কারা তাকে আরো মারে। কারণ, তার হাতে পায়ে মোটামোটা মারের দাগ পেয়েছে তারা। ভারী লোহার রড বা হকিস্টিক দিয়ে মারলে সাধারণত এসব দাগ হয়ে থাকে।
মাঝ রাতেই ইমার্জেন্সিতে টনির অপারেশন করা হয়। অপারেশন সাকসেসফুল হলেও, কিন্তু অতিরিক্ত আহত হওয়ায় ডাক্তাররা এখনই কিছু বলতে পারছেন না।
কেটে যায় আরো কিছু ঘন্টা। দুপুর ২টার দিকে একজন নার্স ও দুইজন ডাক্তার বের হয় আইসিইউ থেকে। তারা এসে জানায়, টনির জ্ঞান ফিরেছে। অবস্থা স্থিতিশীল বর্তমানে। জিনিয়া তার সাথে দেখা করার জন্য বারবার আকুতি-মিনতি করতে থাকলে, ডাক্তাররা শুধু দূর থেকে একবার দেখার পারমিশন দেয়। কিন্তু জিনিয়াকে বারবার করে ওয়ার্ন করে দেয়, সে যেন টনির সামনে না কাঁদে বা এমন কোন আচরণ না করে যাতে টনি উত্তেজিত হয়ে যায়।
জিনিয়া ডাক্তারদের কথাই মেনে নেয়। শুধু দূর থেকে দুই মিনিটের জন্য টনিকে দেখার সুযোগ পায়। টনির তখন হালকা পাতলা হুঁশ থাকায় সে আদো আদো ভাবে চোখ মেলে তাকিয়েছিল। ঝাপসা দৃষ্টি নিয়ে টনি দেখতে পায়, একটি গোছালো, পরিপাটি, সুশ্রী রমণী কীভাবে তার জন্য ভেঙে পরেছে এক রাতেই। মেয়েটির ফোলা মুখ, লাল চোখ বলে দিচ্ছে সে কতটা হৃদপীড়ায় রয়েছে টনিকে এভাবে দেখে।
সেই অবস্থাতেই অক্সিজেন মাক্সের আড়ালে ঢেকে থাকা টনির ঠোঁট একটু বেঁকিয়ে যায় ভালোলাগায়। সে খুবই আলতো ভাবে নিজের মাথা ডানে-বামে নাড়ায়। যেন জিনিয়াকে বলছে সে, “আর কেঁদো না। আমি ঠিক আছি।”
টনিকে নিজের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়াতে দেখে জিনিয়ার খুশির অন্ত থাকে না। তার বুক ফেটে আবারও কান্না আসতে চায়, কিন্তু সে কাঁদে না। এমনকি চোখের কোণে জমা হওয়া অশ্রুটুকু নিজেই মুছে নেয়।
[গল্পটি ভালো লাগলে বেশি বেশি শেয়ার করে আপনার গল্প প্রেমী বন্ধুদের নিকট পৌঁছে দিন। ]
#চলবে?
[এই গল্পটার রেসপন্স যেই হারে কমছে, আমাদের বাসার বিদ্যুৎ বিলও সেম ভাবেই বাড়ছে।
ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করবেন। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স। ] See less
Share On:
TAGS: শেষ পাতায় সূচনা, সাদিয়া সুলতানা মনি
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৫৮.১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৬২.১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৭
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩৪
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৬০.১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৪০.১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৪৮.২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৮
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৪৬.২